22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলামিরপুরের টি‑২০ পিচে ব্যাটসম্যানের সংগ্রাম, ক্যাপ্টেনদের মন্তব্য

মিরপুরের টি‑২০ পিচে ব্যাটসম্যানের সংগ্রাম, ক্যাপ্টেনদের মন্তব্য

বিপিএল ২০২৬‑এর প্রথম এলিমিনেটর ও কোয়ালিফায়ার ম্যাচে মিরপুরের পিচের কঠিনতা আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক লিটন দাস, রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ক্যাপ্টেন নাজমুল হোসেন এবং চট্টগ্রাম রয়্যালসের অধিনায়ক মেহেদি হাসান সবাই পিচকে টি‑২০ ফরম্যাটের জন্য উপযুক্ত না বলে প্রকাশ করেছেন।

এলিমিনেটর ম্যাচে রংপুর রাইডার্স ১১১ রান তৈরি করে, যা শেষ পর্যন্ত সিলেট টাইটান্সকে শেষ ওভারের শেষ বল পর্যন্ত টানা রাখতে বাধ্য করে। একই দিনে কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ১৩৩ রানে আউট হয়ে, চট্টগ্রাম রয়্যালস শেষ ওভারে লক্ষ্য অর্জন করে জয় নিশ্চিত করে। উভয় ম্যাচেই ব্যাটসম্যানদের জন্য স্কোরিং সহজ হয়নি, যা পিচের সমস্যাকে স্পষ্ট করেছে।

মিরপুরের পিচের সমস্যার কথা প্রথমে শ্রীলঙ্কান কিউরেটর গামিনি ডি সিলভা গত বছর বদলানোর পরেও তেমন পরিবর্তন না হওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়ে। তবে পিচের গুণগত মানে কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় খেলোয়াড় ও ক্যাপ্টেনদের হতাশা বাড়ে।

রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ক্যাপ্টেন নাজমুল হোসেন পিচের কঠিনতা নিয়ে মন্তব্যে বললেন, “এখানে ব্যাটসম্যানদের জন্য শট খেলা প্রায় অসম্ভব। পুরো ৪০ ওভারের ব্যাটিংয়ে সবাই সংগ্রাম করছে, দেশি-বিদেশি সবই।” তিনি আরও যোগ করেন, “যদি পিচ আমাদের কপালের দোষ না হতো, হয়তো আমরা ভালো স্কোর করতে পারতাম।” তার এই মন্তব্যের পর সংবাদ সম্মেলনে হালকা হাসি ছড়িয়ে পড়ে।

রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক লিটন দাসও একই রকম মত প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, “এই পিচটি টি‑২০ ফরম্যাটের জন্য আদর্শ নয়, ব্যাটসম্যানদের জন্য খুবই কঠিন।” তার কথায় স্পষ্ট হয় যে পিচের গতি ও বাউন্সের অনিশ্চয়তা স্কোরিংকে কঠিন করে তুলেছে।

চট্টগ্রাম রয়্যালসের ক্যাপ্টেন মেহেদি হাসানও পিচের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “কিউরেটর পরিবর্তনের পর আমরা আশা করেছিলাম পিচে উন্নতি হবে, তবে তা হয়নি। টি‑২০ ফরম্যাটের জন্য প্রয়োজনীয় পিচের বৈশিষ্ট্য এখানে নেই, ফলে আমরা কিছুটা হতাশ হয়েছি।” তার মন্তব্যে দলটির শেষ ওভারে জয়লাভের পরেও পিচের সমস্যার প্রতি দুঃখ প্রকাশ পায়।

চট্টগ্রাম রয়্যালসের ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছানোর পথে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ ছিল। টুর্নামেন্টের শুরুর আগে দলটি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অধীনে নতুন মালিকানায় আসে এবং নতুন কোচিং স্টাফের দায়িত্বে আসে। প্রথম ম্যাচে মাত্র দুইজন খেলোয়াড়ই উপস্থিত থাকায় দলটি কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করে, তবে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ফাইনালে স্থান নিশ্চিত করে।

মিরপুরের পিচ নিয়ে ক্যাপ্টেনদের সমন্বিত মন্তব্যের পর বিপিএল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো তাত্ক্ষণিক পরিবর্তনের ঘোষণা না থাকলেও, পিচের উন্নতির জন্য ভবিষ্যতে আরও আলোচনা প্রত্যাশিত। খেলোয়াড় ও কোচরা পিচের গুণগত মানকে টি‑২০ ক্রিকেটের মানদণ্ডে আনতে উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন।

এই ম্যাচগুলোতে দেখা যায় যে পিচের অবস্থা সরাসরি স্কোরিং ও খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সকে প্রভাবিত করে। ভবিষ্যতে পিচের রক্ষণাবেক্ষণ ও কিউরেটর পরিবর্তনের মাধ্যমে টি‑২০ ফরম্যাটের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা জরুরি, যাতে খেলোয়াড়দের দক্ষতা সঠিকভাবে প্রকাশ পায় এবং দর্শকদের জন্য আকর্ষণীয় ক্রিকেট উপভোগ করা যায়।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments