28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনিউজিল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচন ৭ নভেম্বর নির্ধারিত

নিউজিল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচন ৭ নভেম্বর নির্ধারিত

নিউজিল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচন ৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে, প্রধানমন্ত্রীর ক্রিস্টোফার লাক্সন এই তারিখ সরকারীভাবে ঘোষণা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের নাগরিকদেরকে এমন একটি সরকার বেছে নিতে হবে যা অস্থির ও অনিশ্চিত বিশ্বে স্থিতিশীলতা ও শক্তি প্রদান করতে সক্ষম।

প্রধানমন্ত্রী লাক্সন বলেন, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিবেশে স্থিতিশীল নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা অতীব জরুরি, তাই ভোটারদের সিদ্ধান্ত নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। তার বক্তব্যে তিনি দেশের ভবিষ্যৎ গঠনকে কেন্দ্র করে একটি স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেছেন।

লাক্সনের রাজনৈতিক যাত্রা দ্রুতগতিতে এগিয়ে গেছে; ২০২০ সালে তিনি সংসদ সদস্য হন, এক বছর পর ন্যাশনাল পার্টির নেতা নির্বাচিত হন এবং ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হন। তিনি জেসিন্ডা আরডার্নের পর প্রথম নির্বাচিত শীর্ষ নেতা, এবং তার পূর্ব পেশা ছিল এয়ারলাইন নির্বাহী।

ক্ষমতায় আসার পর থেকে তার জনপ্রিয়তা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে, মূলত দেশের অর্থনৈতিক মন্দা, জীবনের ব্যয়বহুলতা এবং গৃহসুবিধার অভাবের কারণে। এই সমস্যাগুলো ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগের মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে নিউজিল্যান্ডে বেকারত্বের হার ৫ শতাংশের বেশি, গৃহমূল্য ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে এবং দৈনন্দিন জীবনের খরচও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব সূচক সরকারকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে এবং নির্বাচনের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শাসনরত সংরক্ষণবাদী জোটে ন্যাশনাল পার্টি, নিউ জিল্যান্ড ফার্স্ট এবং ACT পার্টি অন্তর্ভুক্ত, যা ২০২৩ থেকে দেশের শাসন পরিচালনা করছে। এই জোটের নীতি মূলত অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বাজারভিত্তিক সংস্কারের ওপর ভিত্তি করে।

সাম্প্রতিক জরিপগুলো দেখায়, ন্যাশনাল-নেতৃত্বাধীন জোট এবং লেবার-নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র, এবং ফলাফল অনিশ্চিত রয়ে গেছে। উভয় দিকই ভোটারদের কাছ থেকে সমর্থন অর্জনের জন্য বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

ন্যাশনাল পার্টি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে মূল প্রতিশ্রুতি হিসেবে তুলে ধরেছে, এবং ভোটারদের আবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে চায়। তারা কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ, কর হ্রাস এবং ব্যবসা-বান্ধব নীতি প্রয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।

লাক্সন উল্লেখ করেন, সরকার দুই বছর ধরে মৌলিক সমস্যার সমাধানে কাজ করেছে এবং এখন দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান। তিনি বলেন, এই অগ্রগতি ভবিষ্যতে আরও উন্নয়নের ভিত্তি হবে।

তিনি আরও যোগ করেন, সরকার ভবিষ্যৎ গড়তে মনোযোগী এবং নীতি বাস্তবায়নে অগ্রসর। তার মতে, স্থিতিশীল ও শক্তিশালী শাসন ব্যবস্থা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের চাবিকাঠি।

বিরোধী লেবার পার্টি এই সময়ে তাদের নীতি ও পরিকল্পনা তুলে ধরবে, এবং অর্থনৈতিক সমতা, সামাজিক কল্যাণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণকে অগ্রাধিকার দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এখনো তাদের নির্দিষ্ট মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি।

নির্বাচনের শেষ তারিখ ১৯ ডিসেম্বর নির্ধারিত, যা পরবর্তী নির্বাচনী চক্রের শেষ সীমা নির্ধারণ করে। এই সময়সীমা সকল রাজনৈতিক দলকে তাদের প্রচারাভিযান সম্পন্ন করার শেষ সুযোগ প্রদান করে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments