28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাপদ্মা সেতুর টোল সংগ্রহ ৩,০০০ কোটি টাকা অতিক্রম

পদ্মা সেতুর টোল সংগ্রহ ৩,০০০ কোটি টাকা অতিক্রম

পদ্মা সেতু ২৫ জুন ২০২২ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার পর থেকে টোল থেকে প্রাপ্ত মোট আয় ৩,০০০ কোটি টাকার সীমা অতিক্রম করেছে। এই তথ্যটি সেতু কর্তৃপক্ষের একটি প্রেস রিলিজে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে সেতু কর্তৃপক্ষের উপ-নির্দেশক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা শিকদার স্বাক্ষর করেছেন।

প্রেস রিলিজে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পদ্মা সেতু ঢাকা ও দেশের দক্ষিণ‑দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার মধ্যে অবিচ্ছিন্ন সড়ক সংযোগ নিশ্চিত করেছে। সেতুর মাধ্যমে গাড়ি চলাচল ও টোল সংগ্রহের পরিমাণ উদ্বোধনের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সেতু চালুর ফলে ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে, যা ব্যবসায়িক কার্যক্রমের গতি ত্বরান্বিত করেছে। পাশাপাশি, সেতু নির্মাণ ও পরিচালনা সংক্রান্ত সরাসরি ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যা স্থানীয় শ্রমবাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা সেতুর অবদানকে দেশের মোট দেশীয় উৎপাদনে (GDP) ইতিবাচক প্রভাব হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যদিও নির্দিষ্ট শতাংশ প্রকাশ করা হয়নি। সেতুর মাধ্যমে কৃষি, মৎস্য, পশুপালন ও শিল্প পণ্যের পরিবহন পদ্ধতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে।

ডিজিটাল টোল ব্যবস্থা চালু হওয়ায় মাওয়া ও জাজিরা টোল প্লাজায় ইলেকট্রনিক টোল সংগ্রহ (ETC) সিস্টেম কার্যকর হয়েছে। এই সিস্টেমের মাধ্যমে গাড়ি থামা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল কেটে নেওয়া যায়।

রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) কার্ডের ব্যবহার টোল পেমেন্টের গতি বাড়িয়ে দিয়েছে, ফলে অপেক্ষার সময় কমে গাড়ি চলাচল মসৃণ হয়েছে। এই প্রযুক্তিগত উন্নয়নকে সেতু কর্তৃপক্ষের আধুনিকায়ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রেস রিলিজে জোর দেওয়া হয়েছে যে, এই সাফল্যটি জনগণের সহযোগিতা ও ডিজিটাল টোল সিস্টেমের আধুনিকীকরণের ফল। সেতুর ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টোল রাজস্বের ধারাবাহিক বৃদ্ধি প্রত্যাশিত।

বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সেতুর মাধ্যমে লজিস্টিক খরচের হ্রাস ও পণ্যের সময়মত সরবরাহ ব্যবসায়িক চেইনে প্রতিযোগিতা বাড়াবে। বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি ও মৎস্য পণ্যের রপ্তানি ও অভ্যন্তরীণ বণ্টনে সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ভবিষ্যৎ দৃষ্টিকোণ থেকে, টোল সংগ্রহের ধারাবাহিক বৃদ্ধি সেতু কর্তৃপক্ষের আর্থিক স্বাবলম্বনকে শক্তিশালী করবে এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কমাতে সহায়তা করবে। তবে সেতুর দীর্ঘমেয়াদী টেকসইতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

সারসংক্ষেপে, পদ্মা সেতু দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে; টোল থেকে প্রাপ্ত আয় ৩,০০০ কোটি টাকার সীমা অতিক্রম করা এই সেতুর অর্থনৈতিক প্রভাবের স্পষ্ট সূচক।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments