ইউটিউবের শীর্ষ শটস নির্মাতা অ্যালান চিকিন চো হাইবিএমেরিকার সহযোগিতায় নেটফ্লিক্সে একটি নতুন স্ক্রিপ্টেড সিরিজের প্রযোজনা ঘোষণা করেছেন। এই প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে স্থানীয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের সংযোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
সিরিজের কাহিনী একটি শিল্প একাডেমিতে ভর্তি হওয়া, তবে পপ আইডল হওয়ার স্বপ্নে ব্যর্থ হওয়া তরুণদের দলকে কেন্দ্র করে। তারা একত্রে একটি সমলিঙ্গ ব্যান্ড গঠন করে এবং নিজেদের সঙ্গীতের মাধ্যমে স্বপ্নকে পুনর্গঠন করার চেষ্টা করে।
প্রযোজনা দলটি সঙ্গীতের বাস্তবিক দিকটিকেও গুরুত্ব দিয়েছে; সিরিজের সঙ্গে সমন্বয় করে নতুন শিল্পীরা মূল গানের রিলিজ করবে। এই পদ্ধতি দর্শকদেরকে দৃশ্য ও সুরের সমন্বয় উপভোগের সুযোগ দেবে।
হাইবিএমেরিকার পটভূমি কেপপ শিল্পের প্রধান সংস্থা হাইবেরের যুক্তরাষ্ট্র শাখা হিসেবে উল্লেখযোগ্য। সংস্থার প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ও শিল্পী উন্নয়ন মডেলকে কাজে লাগিয়ে সিরিজের সঙ্গীত দলকে কেটসাই এবং বিটিএসের মতো আন্তর্জাতিক স্তরের গোষ্ঠীর সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।
অ্যালান চিকিন চো ইউটিউব শটসে প্রায় একশো মিলিয়ন অনুসারীর অধিকারী এবং তার অ্যান্থোলজি সিরিজ ‘অ্যালান’স ইউনিভার্স’ মাসিক এক বিলিয়ন ভিউ অতিক্রম করে। এই বিশাল দর্শকসংখ্যা তাকে ডিজিটাল মিডিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব করে তুলেছে।
হাইবিএমেরিকার অধীনে সেভেনটিন, টিএক্সটি, এনহাইপেন, লে সেরাফিম, বয়নেক্সটডোর, টিডব্লিউএস এবং ইলিটসহ বহু কেপপ গোষ্ঠী রয়েছে। এই গোষ্ঠীগুলোর সাফল্য ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতি নতুন সিরিজের সঙ্গীত দিককে সমৃদ্ধ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রযোজনা দলে অ্যালান চিকিন চো এক্সিকিউটিভ প্রযোজক হিসেবে কাজ করবেন, পাশাপাশি তিনি শো রান, পরিচালক এবং প্রধান অভিনেতা হিসেবেও যুক্ত থাকবেন। হাইবিএমেরিকার ফিল্ম ও টেলিভিশন প্রধান জেমস শিন এবং এশিয়া-অস্ট্রেলিয়া প্রধান জিংগু জ্যাংও এক্সিকিউটিভ প্রযোজক হিসেবে অংশ নেবেন।
চো একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন যে এই প্রকল্পটি নেটফ্লিক্স ও হাইবিএমেরিকার সৃজনশীল শক্তিকে একত্রিত করে নতুন প্রজন্মের জন্য একটি অনন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি গড়ে তুলবে। তিনি আরও যোগ করেছেন যে এই সিরিজটি সৃজনশীলতা উদ্দীপনা, আনন্দের সঞ্চার এবং সার্বজনীন জীবনের শিক্ষা প্রদান করবে।
বেঙ্গালির দর্শকদের জন্য এই সংযোজনটি আন্তর্জাতিক কন্টেন্টের সঙ্গে স্থানীয় ডিজিটাল ক্রিয়েটরের সমন্বয়কে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করবে। সিরিজের প্রকাশের তারিখ এখনও নির্ধারিত না হলেও, শিল্প ও সঙ্গীত প্রেমিকদের মধ্যে উত্তেজনা ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রকল্পের অগ্রগতি ও প্রকাশনা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য নেটফ্লিক্স ও হাইবিএমেরিকার অফিসিয়াল চ্যানেলগুলোতে নজর রাখলে ভাল হবে। এই উদ্যোগটি ভবিষ্যতে আরও স্থানীয় ক্রিয়েটরদের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে, যা দেশের বিনোদন শিল্পের বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।



