চট্টগ্রাম ও রাজশাহী দলের মধ্যে প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে চট্টগ্রাম দুই ওপেনার ১০ ওভারে ৫২ রান করে ২ উইকেটের সঙ্গে শেষ করে, লক্ষ্য ছিল ১৩৪ রান। চট্টগ্রামের ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ৩০ ball‑এ ৩৮ রান করে দলকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করেন, আর তার সঙ্গী বেগ ১৪ রান যোগ করেন।
চট্টগ্রামের ব্যাটিং শুরুতে রাজশাহীর বোলাররা নিয়ন্ত্রিত লাইন দিয়ে চাপ সৃষ্টি করে, ৬ ওভারে ৩১ রান ছাড়া কোনো উইকেট না নিতে পারলেও ওপেনারদের স্কোর বাড়াতে বাধা দেয়। চট্টগ্রাম ১০ ওভারে ৫২/২ স্কোরে থেমে থাকে, লক্ষ্য ১৩৪ রান পূরণে এখনও দূরত্ব রয়ে যায়।
রাজশাহীর ইনিংস শুরুতে ১৫ ওভারে ৮৫ রান সংগ্রহ করে, এরপর শেষ ৫ ওভারে অতিরিক্ত ৪৮ রান যোগ করে মোট ১৩৩ রান তৈরি করে। সাকলাইনের ১৫ বলের ইনিংসে ৩২ রান করে দলকে ১৩৩ রানের কাছাকাছি নিয়ে যায়। দলের সর্বোচ্চ স্কোর ৪১ রান, যা তানজিদ অর্জন করেন।
শরীফুলের ২৪টি উইকেটের সঙ্গে বিপিএলের এক মৌসুমে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড বজায় থাকে, তাসকিন আহমেদের ২৫ উইকেটের কাছাকাছি পৌঁছায়। রাজশাহীর বোলিং দিক থেকে, ১৬ ওভারে ৯৮/৬ স্কোরে জিমি নিশাম ফিরে এসে রিভার্স সুইপের পরে ৬ রান করে আউট হন, আর একই ওভারে আব্দুল গাফফার সাকলাইন টানা দুইটি ছক্কা মারেন।
রাজশাহীর ওপেনার হাসান নেওয়াজ ৩৭ বলে ৪১ রান করে দলকে স্থিতিশীল করেন, তানজিদ ৩০ বলে ৩৬ রান করেন, আর জিমি নিশাম ১ বলে ১ রান করে অচল রয়ে যান। মাঝখানে ১০ম ওভারে আকবর আলী ক্যাচ নিয়ে বেঁচে থাকলেও ১২তম ওভারে মুকিদুল ইসলাম তাকে ৩ রান করে আউট করেন, ফলে দলটি ৬৭ রানে চতুর্থ উইকেট হারায়।
মেহেদী হাসানকে হ্যাটট্রিকের সুযোগ না দিয়ে আকবর আলী ৯ম ওভারে তৃতীয় বলের পরে ক্যাচ নেন, চতুর্থ বলের পরে মুশফিকুর রহিমকে ক্যাচ দিয়ে শট বন্ধ করেন, এবং পরের বলটি ব্লক করেন। ৪৯ রানে দলটি মোট তিনটি উইকেট হারায়।
একই দিনে বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ইউ-১৯ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ বাতিল হয়, ফলে যুব দলের সমীকরণ ৩৩ মিনিট আগে কঠিন হয়ে যায়।
পরবর্তী ম্যাচে চট্টগ্রাম ও রাজশাহী উভয় দলই তাদের পরবর্তী কোয়ালিফায়ার গেমের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে লক্ষ্য থাকবে ব্যাটিং পারফরম্যান্স বাড়িয়ে লক্ষ্য স্কোর পূরণ এবং বোলিংয়ে আরও উইকেট নেওয়া।



