27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাভারতীয় টি২০ দল নিউ জিল্যান্ডের সঙ্গে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মুখোমুখি

ভারতীয় টি২০ দল নিউ জিল্যান্ডের সঙ্গে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মুখোমুখি

বিশ্বকাপের শিরোপা রক্ষা করতে বাড়িতে প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে পরাজিত করার লক্ষ্যে ভারতীয় টি২০ দল শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রথম টেস্টের পরপরই, ২১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় ভারতের ক্যাপ্টেনের নেতৃত্বে দলটি নিউ জিল্যান্ডের সঙ্গে একটিমাত্র টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে, যা শিরোপা টুর্নামেন্টের আগে শেষ চেকের সুযোগ দেবে।

সুর্যকুমার যাদব নেট প্র্যাকটিসে ধারাবাহিকভাবে বলকে শক্তভাবে আঘাত করছেন, তবে সাম্প্রতিক ম্যাচে তার ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি স্বীকার করেছেন যে, নেটের সাফল্যকে মাঠের বাস্তব পারফরম্যান্সে রূপান্তরিত করা এখনো চ্যালেঞ্জ। তবুও, দলের ক্যাপ্টেন জোর দিয়ে বলছেন যে, দলটির মূল গঠন ও খেলার শৈলী অপরিবর্তিত থাকবে এবং শীঘ্রই ফলাফল প্রকাশ পাবে।

বর্তমানে ভারতীয় টি২০ দল বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে রয়েছে। ২০২৪ সালের বিশ্ব শিরোপা জয়ের পর থেকে, দলটি ৩৬টি টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচের মধ্যে ২৯টি জিতেছে, যা তাদের আধিপত্যের প্রমাণ। তবে শীর্ষ ক্রমে পরিবর্তন আনার জন্য শুবমান গিলকে পুনরায় টপ অর্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যা সাময়িকভাবে ব্যালেন্সে প্রভাব ফেলেছিল। এখন গিলের ফিরে আসা শেষ হয়ে গেছে; সানজু স্যামসন এবং অভিষেক শর্মা আবার টপ অর্ডারে জোড়া গঠন করেছে, এবং রিনকু সিংহকে ফিনিশার হিসেবে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

পরবর্তী ১১ দিন দলকে তাদের গতি, ফিল্ডিং এবং কৌশলগত দিকগুলো পুনরায় যাচাই করার সুযোগ দেবে। এই সময়ে নিউ জিল্যান্ডের সঙ্গে মুখোমুখি হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মতো। নিউ জিল্যান্ডের ক্যাপ্টেন মিচেল স্যান্টনার দলকে তিনটি টি২০ ম্যাচে ধারাবাহিক জয় অর্জনের লক্ষ্যে প্রস্তুত করছেন, যাতে তারা ভারতের মতো শক্তিশালী দলের সঙ্গে সমতা রক্ষা করতে পারে।

নিউ জিল্যান্ডের টি২০ পারফরম্যান্স সাম্প্রতিক বিশ্বকাপ চক্রে মোট ২৬টি ম্যাচে ১৫টি জয় এবং ৭টি পরাজয় অর্জন করেছে। তবে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের সঙ্গে মুখোমুখি হলে তারা ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হয়েছে, যা তাদের বড় টুর্নামেন্টে অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করেছে। “বিগ থ্রি” (ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড) দলগুলোর আধিপত্য ভাঙতে নিউ জিল্যান্ডের জন্য এই সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ।

ম্যাচের ভেন্যু একটি কালো মাটির পিচ, যা সাধারণত বোলারদের জন্য অনুকূল শর্ত তৈরি করে। পিচের গতি ও ঘর্ষণ বলের পরিবর্তনশীলতা বাড়িয়ে দেয়, ফলে ব্যাটসম্যানদের জন্য স্কোরিং কঠিন হতে পারে। তাই উভয় দলই পিচের বৈশিষ্ট্যকে কাজে লাগিয়ে তাদের বলিং পরিকল্পনা সাজাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভারতের ক্যাপ্টেনের মতে, দলটি এখনো শীর্ষ ফর্মে রয়েছে এবং শৈলীর কোনো পরিবর্তন হবে না। তিনি যোগ করেছেন, “আমরা প্রতিটি মুহূর্তে নিজেদের পরীক্ষা করছি, যাতে শিরোপা রক্ষার সময় কোনো ত্রুটি না থাকে।” অন্যদিকে, নিউ জিল্যান্ডের ক্যাপ্টেন মিচেল স্যান্টনার বলছেন, “আমরা তিনটি ম্যাচে ধারাবাহিক জয় অর্জন করতে চাই, যাতে আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং ভারতীয় দলকে চ্যালেঞ্জ করা যায়।” এই উভয় দৃষ্টিভঙ্গি ম্যাচের তীব্রতা বাড়িয়ে দেবে।

সারসংক্ষেপে, ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই একক টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচটি ভারতীয় দলের জন্য শিরোপা টুর্নামেন্টের আগে শেষ রিহার্সালের মতো কাজ করবে, আর নিউ জিল্যান্ডের জন্য বড় দলকে পরাস্ত করার সুযোগ হবে। উভয় দলের প্রস্তুতি, পিচের বৈশিষ্ট্য এবং খেলোয়াড়দের বর্তমান ফর্মই ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণের মূল উপাদান হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Cricbuzz
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments