19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধআশুলিয়া হত্যাকাণ্ডের আইসিটি-২ শুনানি শেষ, রায়ের অপেক্ষা

আশুলিয়া হত্যাকাণ্ডের আইসিটি-২ শুনানি শেষ, রায়ের অপেক্ষা

আশুলিয়া গ্রামাঞ্চলে জুলাই মাসে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑২ (আইসিটি‑২) আজ পর্যন্ত উভয় পক্ষের যুক্তি শোনার কাজ সম্পন্ন করেছে। সাতজনের মৃত্যু ঘটানো এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ১৬জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপরাধবোধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

আদালত আজ সন্ধ্যায় উভয় পক্ষের যুক্তি শোনার পর সমাপ্তি ঘোষণার মাধ্যমে শুনানির সমাপ্তি জানায়। উভয় পক্ষের আইনজীবীরা তাদের-তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করে, যা বিচারকেরা পর্যালোচনা করবেন।

আইসিটি‑২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ নোজরুল ইসলাম চৌধুরী এই মুহূর্তে রায়ের অপেক্ষা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি আদালতের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে রায়ের তারিখ নির্ধারণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

মামলায় মোট ষোলোজন অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রাক্তন আওয়ামী লীগ আইনসভা সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং প্রাক্তন ডিপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল নুরুল ইসলাম অন্তর্ভুক্ত। উভয়ই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত।

অভিযুক্তদের মধ্যে আটজন বর্তমানে জেলায় আটক আছেন এবং আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি আটজন অভিযুক্ত এখনও গ্রেফতার করা হয়নি এবং পলায়নরত অবস্থায় রয়েছে। আদালত তাদের অনুসন্ধান ও গ্রেফতার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।

এই মামলা জুলাই মাসে আশুলিয়া গ্রামাঞ্চলে ঘটিত বিদ্রোহী উত্থানের সময় সংঘটিত হয়। উক্ত সময়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার মধ্যে সাতজনের প্রাণহানি ঘটেছিল, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রায়ের ঘোষণার সম্ভাবনা বাড়ছে। বিচারিক বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন যে রায়ের তারিখ শীঘ্রই নির্ধারিত হতে পারে, তবে আদালত এখনও নির্দিষ্ট তারিখ প্রকাশ করেনি।

রায়ের ঘোষণার পরপরই অভিযুক্তদের ওপর আরোপিত শাস্তি, জেলাবাসের শর্তাবলী এবং ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে অতিরিক্ত শুনানি হতে পারে। আদালত প্রয়োজনীয় আইনি নথি ও প্রমাণাদি পুনরায় পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত রায় প্রদান করবে।

এই মামলার ফলাফল দেশের মানবাধিকার নীতি ও অপরাধবোধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচারিক দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জনসাধারণের উচ্চ প্রত্যাশা রয়েছে যে রায় ন্যায়সঙ্গত ও স্বচ্ছ হবে, যাতে ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা যায়।

বিচারিক প্রক্রিয়ার অগ্রগতি ও রায়ের ঘোষণার তারিখ সম্পর্কে পরবর্তী তথ্য প্রকাশিত হলে তা জনসাধারণের সঙ্গে শেয়ার করা হবে। আদালতের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments