22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধদুদক সিয়ামকে গ্রেফতার, তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে

দুদক সিয়ামকে গ্রেফতার, তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর পুত্র সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গ্রেফতার করেছে। অভিযোগে তিনি প্রায় তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন এবং অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেনের জড়িত ছিলেন।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আক্তারুল ইসলাম এই গ্রেফতারকে নিশ্চিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, সিয়ামকে আজকের গ্রেফতার প্রক্রিয়া আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

সিয়াম পূর্বে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে কাজ করতেন। এই পদে থাকাকালীন তিনি বিভিন্ন ত্রাণ কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন।

সৈয়দ আবেদ আলী, তার স্ত্রী শাহরিন আক্তার শিল্পী এবং সিয়ামসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি দুদক পৃথকভাবে তিনটি মামলা দায়ের করে। প্রথম মামলায় ৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়।

দ্বিতীয় মামলায় প্রায় ৪৫ কোটি টাকার অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেনের সন্দেহ উত্থাপিত হয়েছে। তৃতীয় মামলায় একই সময়ে সম্পদের উৎস ও ব্যবহার নিয়ে তদন্তের দাবি করা হয়েছে।

দুদক অনুসারে, সিয়াম এই অবৈধ সম্পদ অর্জনের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন, যার মধ্যে সম্পত্তি ক্রয়, ব্যাংক ডিপোজিট এবং শেয়ার লেনদেন অন্তর্ভুক্ত। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সম্পত্তি বা আর্থিক নথি আদালতে উপস্থাপিত হয়নি।

গ্রেফতারকৃত সিয়ামকে দুদকের সদর দফতরে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে গৃহীত শর্তে জামিনের আবেদন করা যাবে কিনা, তা পরবর্তী আদালতিক শুনানিতে নির্ধারিত হবে।

আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে, দুদক গ্রেফতার ও জব্দের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী অপরাধের প্রমাণ সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করবে। অভিযোগিত সম্পদের উৎস ও ব্যবহার স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত আদালতিক প্রক্রিয়া চলবে।

সিয়ামের গ্রেফতার সংবাদটি দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে দুদক এখনও কোনো অতিরিক্ত মন্তব্য বা তদন্তের সময়সূচি প্রকাশ করেনি।

অধিক তদন্তের জন্য দুদক সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, রিয়েল এস্টেট রেজিস্ট্রি এবং শেয়ার বাজারের রেকর্ড পর্যালোচনা করবে বলে জানিয়েছে। এই তথ্যগুলো ভবিষ্যতে আদালতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।

সিয়ামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোতে প্রমাণের অভাব থাকলে, দুদক অতিরিক্ত তদন্তের মাধ্যমে নতুন প্রমাণ সংগ্রহের সম্ভাবনা রাখে। একই সঙ্গে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ নজরদারি চালু করা হবে।

এই ঘটনার পর, পিএসসি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোও অভ্যন্তরীণভাবে তদন্ত চালু করেছে। তারা দাবি করেছে যে, কোনো অবৈধ কার্যকলাপের সঙ্গে সংযুক্ত কোনো কর্মচারী বা তাদের পরিবারকে শাস্তি দেওয়া হবে।

সিয়ামের গ্রেফতার ও মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে পরবর্তী তথ্য আদালতিক শুনানি ও দুদকের প্রকাশিত রিপোর্টের মাধ্যমে জানানো হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments