27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাসিলেট টাইটানসের শেষ বলের ছক্কা, রংপুর রাইডার্স বাদ পড়ল

সিলেট টাইটানসের শেষ বলের ছক্কা, রংপুর রাইডার্স বাদ পড়ল

বিপিএল এলিমিনেটর ম্যাচে সিলেট টাইটানস ১১২ রান করে রংপুর রাইডার্সকে ১ রানের পার্থক্যে পরাজিত করে কোয়ালিফায়ারে অগ্রসর হয়েছে। শেষ ওভারের ছয়টি বলের শেষে ইংরেজ অলরাউন্ডার ক্রিস ওকসের ছক্কা জয় নিশ্চিত করেছে, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শেষ বলের ছক্কা দিয়ে জয় অর্জিত হয়েছে।

ক্রিস ওকস প্রথমে বল হাতে ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে দুই উইকেট নিলেন, যার ফলে রংপুরের স্কোর স্থবির হয়ে গেল। তার সুনির্দিষ্ট লাইন এবং পরিবর্তনশীল গতি রাইডার্সের ব্যাটসম্যানদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল, বিশেষ করে মাঝের ওভারে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দুইটি উইকেট নেয়া দিয়ে রাইডার্সের রণবিল্ডিংকে বাধাগ্রস্ত করেন।

বোলিং শেষ করার পর ওকস ব্যাটিংয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তিনি মাত্র চারটি বলের মধ্যে দশ রান অচল রেখে শেষ বলের ছক্কা মারেন, যা সিলেটের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্ত ভূমিকা রাখে। এই পারফরম্যান্সে ওকসের দুইটি ভিন্ন দক্ষতা—বোলিং ও ব্যাটিং—একসাথে ফুটে উঠেছে, যা তার প্রথম বি.পিএল ম্যাচে স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করেছে।

রাইডার্সের ২০ ওভারে ১১১ রান, নয়টি উইকেটের স্কোরে শেষ হয়। টিমের শীর্ষ স্কোরার ছিলেন মাহমুদউল্লাহ ৩৩ রান এবং খুশদিল ৩০ রান। রাইডার্সের বোলিং দিক থেকে খালেদ ২ উইকেটের জন্য ১৫ রান দিলেন, ওকস ২ উইকেটের জন্য ১৫ রান এবং নাসুম ২ উইকেটের জন্য ১২ রান নিলেন।

সিলেটের ২০ ওভারে ১১২ রান, সাতটি উইকেটের স্কোরে শেষ হয়। ব্যাটিংয়ে সিলেটের প্রধান অবদান ছিল ওকসের অচল দশ রান, আলিসের ১৮ রান (দুই উইকেট) এবং বিলিংসের ২৯ রান। বোলিংয়ে বিলিংস ২ উইকেটের জন্য ৯ রান দিলেন, আলিস ২ উইকেটের জন্য ১৮ রান এবং মোস্তাফিজ ২ উইকেটের জন্য ২০ রান নিলেন। ম্যাচের সেরা পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি গেল খালেদ আহমেদের কাছে।

সিলেটের লক্ষ্য ছিল শেষ দুই ওভারে ১৫ রান সংগ্রহ করা। এই সময়ে মোস্তাফিজের বলের ওপর বড় শটের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে বিলিংসের হাতে ক্যাচ হয়ে যায়, ফলে সিলেটের গতি ধীর হয়ে যায়। তবে বিলিংসের নিজস্ব ব্যাটিংয়ে ৪০ বলে ২৯ রান এবং ওকসের উইকেট নেয়ার মাধ্যমে তিনি টিমের জয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

এলিমিনেটরে সিলেটকে শেষ পাঁচ ওভারে অতিরিক্ত ৩১ রান সংগ্রহ করতে হবে। এই সময়ে স্যাম বিলিংস এবং মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে ৩৭ রানের স্থিতিশীল অংশীদারিত্ব গড়ে ওঠে, যা টিমকে শেষ পর্যন্ত সুরক্ষিত রাখে। উভয় খেলোয়াড়ই গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ করে টিমের স্কোরকে স্থিতিশীল রাখে।

সিলেটের শুরুর ওভারে ৮ ওভারে ৪৪ রান, চারটি উইকেটের পর চাপ বাড়ে। ৪৪ রানেই দলটি চারটি উইকেট হারায়, ফলে ব্যাটিং লাইনআপে পরিবর্তন আনা হয়। আলিস আল ইসলামের বোলিংয়ে সিলেটের ব্যাটসম্যানদের ওপর চাপ বাড়ে, এবং তিনি দুই ওভারে ছয় রান দিয়ে দুইটি উইকেট নেন।

নাহিদ রানার ১৭ রান করার পর আরিফুলের আউট হওয়ায় সিলেটের মাঝারি ওভারগুলোতে চাপ বাড়ে। সাত ওভারে দলটি ৪২ রান সংগ্রহ করে তিনটি উইকেট হারায়, ফলে গেমের গতি ধীর হয়ে যায়। তবে পারভেজ হোসেনের ১২ বলে ১৮ রান করার পর আলিসের বোলিংয়ে আউট হয়ে দলটি পুনরায় সংগ্রহ করতে বাধ্য হয়।

প্রথম ওভারে সিলেটের ত্রুটি দেখা যায়, যখন তারা ৩ রান দিয়ে এক উইকেট হারায়। তৌফিক খান চতুর্থ বলেই ফিরে এসে দুই রান যোগ করেন, তবে পরের বলেই মোস্তাফিজুর রহমানের বোলিংয়ে আউট হন। এই ক্ষুদ্র মুহূর্তগুলো সিলেটের ইনিংসের ধারাকে প্রভাবিত করে, তবে শেষ পর্যন্ত দলটি পুনরুদ্ধার করে।

রাইডার্সের ২০ ওভারে ১১১ রান, নয়টি উইকেটের স্কোরে শেষ হওয়ায় তারা টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ে। মাহমুদউল্লাহ এবং খুশদিলের ধারাবাহিকতা সত্ত্বেও রাইডার্সের বোলিং ইউনিটের ধারাবাহিকতা না থাকায় স্কোরে ঘাটতি দেখা দেয়। সিলেটের জয় টিমকে কোয়ালিফায়ার রাউন্ডে অগ্রসর করে, যেখানে পরবর্তী ম্যাচের সময়সূচি ও প্রতিপক্ষের তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments