22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি সেক্রেটারি জেনারেল ফখরুলের বক্তব্য: পরিকল্পিত ক্যাম্পেইন ও সম্ভাব্য বিশাল জয়

বিএনপি সেক্রেটারি জেনারেল ফখরুলের বক্তব্য: পরিকল্পিত ক্যাম্পেইন ও সম্ভাব্য বিশাল জয়

বিএনপি সেক্রেটারি জেনারেল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ ঢাকা শহরের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় জানান, পার্টি একটি পরিকল্পিত ও সমন্বিত প্রচারণার লক্ষ্যবস্তু এবং দেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিশাল জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই মুহূর্তে ২৩ দিন বাকি থাকায় নির্বাচনী পরিবেশে নানা ধরনের গুজব ও ভ্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে।

ফখরুলের বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, বিরোধী দলগুলোর রাজনৈতিক আচরণে স্বচ্ছতা ও সরলতা বজায় রাখতে আহ্বান জানানো। তিনি বিশেষভাবে বাংলাদেশ জামায়ত‑ই‑ইসলামিকে ধর্মীয় রঙে ভোটারকে প্রভাবিত করা থেকে বিরত থাকতে এবং সরল রাজনীতিতে অংশ নিতে নির্দেশ দেন।

বিএনপি নেতার মতে, পার্টির সম্ভাব্য বিশাল জয়ই বর্তমানে বিরোধী গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের পেছনের প্রেরণা। তিনি উল্লেখ করেন, যারা অতীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বীকার করেনি, স্বাধীনতার নীতি অস্বীকার করেছে এবং আমাদের মাতৃভূমিতে নির্যাতন ও অপহরণ ঘটিয়েছে, তাদের কর্মকাণ্ডের ফলে বর্তমান রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে।

আসন্ন নির্বাচনকে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে তিনি বর্ণনা করেন। ফখরুলের দৃষ্টিতে, এই ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ লিবারেল গণতান্ত্রিক পথে এগোবে নাকি উগ্র ও রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির হাতে পড়বে। তিনি লিবারেল পথকে বেছে নেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

রাজনীতিতে সততা বজায় রাখার আহ্বানও তার বক্তব্যের একটি মূল অংশ। তিনি উল্লেখ করেন, কোনো দল যদি ধর্মীয় প্রতীককে স্বর্গের গ্যারান্টি হিসেবে উপস্থাপন করে, তবে তা দ্বিমতপূর্ণ ও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। এমন ধরনের প্রচারণা ভোটারকে বিভ্রান্ত করে এবং রাজনৈতিক নৈতিকতার ক্ষতি করে।

ফখরুল জানান, তিনি এই মুহূর্তে কথা বলার প্রয়োজন অনুভব করছেন, কারণ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত ভ্রান্ত তথ্যের পরিমাণ বাড়ছে। তিনি এই প্রচারণাকে ‘প্রোপাগান্ডা’ বলে উল্লেখ করে, তার বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে লড়াই করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

নির্বাচন সংক্রান্ত কিছু গোষ্ঠীর দাবি যে ভোট না হওয়ায় বাধা সৃষ্টি হবে, তা তিনি তুচ্ছ করে dismiss করেন। তিনি বলেন, এই গোষ্ঠীর ভোটের সংখ্যা অল্প এবং তাদের দাবি বাস্তবিক ভিত্তি নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি ভোটের ফলাফল তাদের পক্ষে না যায়, তবে তারা বিরোধী অবস্থানে থাকবে, কিন্তু তা তাদের আগাম চিৎকারের কোনো কারণ নয়।

বিএনপি-র সংস্কার প্রস্তাবনা নিয়ে তিনি সমঝোতা কমিশনের কাজকে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে সমালোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে গৃহীত সমঝোতার ভিত্তিতে কিছু বিষয় বাদ দেওয়া উচিত ছিল, তবে এখন সেগুলো পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা পার্টির কাছে অগ্রহণযোগ্য।

ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রভাবের দিক থেকে ফখরুলের বক্তব্য স্পষ্ট করে যে, যদি ভোটাররা বিএনপি-কে সমর্থন করে, তবে পার্টি সরকার গঠন করবে এবং তার নীতি অনুযায়ী কাজ করবে। অন্যদিকে, যদি ভোটাররা অন্য দলকে বেছে নেয়, তবে বিএনপি বিরোধী অবস্থানে থাকবে এবং সংসদে তাদের ভূমিকা বজায় রাখবে।

এই বিবৃতি দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে দুই প্রধান শক্তির মধ্যে মতবিরোধ ও কৌশলগত প্রতিযোগিতা তীব্র হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করবে পরবর্তী কয়েক বছর দেশের নীতি, শাসনব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দিকনির্দেশনা।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments