28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনেতানিয়াহু গাজা আন্তর্জাতিক বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের সেনা না থাকার দাবি

নেতানিয়াহু গাজা আন্তর্জাতিক বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের সেনা না থাকার দাবি

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সোমবার নেসেতে গাজা যুদ্ধের পরবর্তী পর্যায়ে গঠিত আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের সেনা অন্তর্ভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, গাজা উপত্যকায় বর্তমানে ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপে কাজ চলছে, যেখানে হামাস ও গাজার অস্ত্রশস্ত্র সম্পূর্ণভাবে নিষ্ক্রিয় করা হবে।

নেতানিয়াহু বলেন, গাজা পুনর্গঠনের এই পর্যায়ে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর অংশ হিসেবে তুরস্ক ও কাতারের সেনা রাখা যাবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, গাজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে কোনো বিদেশি সেনা উপস্থিতি ইসরায়েলের নিরাপত্তা স্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

বিভিন্ন দেশের সেনা গাজায় পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তালিকা প্রকাশিত হয়নি। ইসরায়েল সরকার এখনও কোন দেশগুলোকে এই আন্তর্জাতিক মিশনে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানাবে তা নির্ধারণের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

গাজা অঞ্চলে গঠিত হতে যাওয়া এই বহুজাতিক বাহিনীর মূল কাজ হবে স্থানীয় জনগণকে নিরাপত্তা প্রদান এবং নতুন পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া। এ সংস্থার লক্ষ্য হল হামাসের শাসন কাঠামোকে বদলে একটি স্বনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা আন্তর্জাতিক বাহিনীর প্রধান কমান্ডার হিসেবে মেজর জেনারেল জাসপার জেফার্সকে নিয়োগ করেছেন। জেফার্সের নেতৃত্বে বাহিনীর গঠন, প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল পরিকল্পনা গড়ে তোলার কাজ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।

নেতানিয়াহুর এই অবস্থান ইসরায়েল এবং তুরস্ক‑কাতার সম্পর্কের মধ্যে নতুন উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। তুরস্ক ও কাতার উভয়ই গাজা সমস্যায় মানবিক সহায়তা ও রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে সাড়া দিয়েছে, তাই তাদের সেনা বাদ দেওয়া উভয় দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের কূটনৈতিক সংলাপকে প্রভাবিত করতে পারে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ ইসরায়েলের নিরাপত্তা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী গাজা পুনর্গঠন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন, তবে তুরস্ক ও কাতারের অংশগ্রহণ না করা ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগকে অগ্রাধিকার দেয়।

ভবিষ্যতে গাজা আন্তর্জাতিক বাহিনীর গঠন, সদস্য দেশ এবং কার্যক্রমের সময়সূচি নিয়ে আরও আলোচনা হবে বলে আশা করা যায়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে গাজা পুনর্গঠন ও মানবিক সহায়তার জন্য চাপ বাড়তে পারে, আর ইসরায়েলকে তার নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষা করার সঙ্গে সঙ্গে মানবিক দায়িত্বও পালন করতে হবে।

সারসংক্ষেপে, নেতানিয়াহু গাজা পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় তুরস্ক ও কাতারের সেনা বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত তুলে ধরেছেন, যা গাজার নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কাঠামোকে নতুনভাবে গঠন করবে। এই সিদ্ধান্তের পরিণতি ইসরায়েল, তুরস্ক, কাতার এবং যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলবে তা সময়ই প্রকাশ করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments