আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১ (আইসিটি‑১) চাঁখারপুল এলাকায় ২০২৪ সালের জুলাই উত্থানকালে ছয়জনের মৃত্যু ঘটানো হত্যাকাণ্ডের রায় শোনাবে। মামলাটি জুলাই ২০২৪-এ ঢাকার চাঁখারপুলে ঘটিত গুলিবর্ষণের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। রায় শোনার মাধ্যমে ট্রাইব্যুনাল এই উত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়িত্ব নির্ধারণ করবে। আদালতের সিদ্ধান্ত আজই প্রকাশিত হবে।
জুলাই ২০২৪-এ ছাত্র-নেতৃত্বাধীন প্রতিবাদে আইন প্রয়োগকারী ও সশস্ত্র আওয়ামী লীগ সদস্যদের গুলিবর্ষণ ঘটায় ১,৪০০েরও বেশি মানুষ প্রাণ হারায়। প্রায় ২৫,০০০ জন আহত হয়, তাদের মধ্যে বহুজন স্থায়ী শারীরিক অক্ষমতা ভোগ করে। এই সহিংসতা শেষ পর্যন্ত শীখ হাসিনা সরকারের পতনে ভূমিকা রাখে। উত্থানের সময় গুলিবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের দায়ী ব্যক্তিদের ওপর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
গত বছর ১৭ নভেম্বর আইসিটি‑১ প্রথম রায় দেয়, যেখানে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন প্রতিবাদে গুলিবর্ষণের জন্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের মামলায় দায়ী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শীখ হাসিনা ও প্রাক্তন গৃহমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। একই রায়ে প্রাক্তন আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, যিনি পরে স্বীকারোক্তি দেন। এই রায়কে দেশের ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবাধিকার রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে গণ্য করা হয়। আজ শোনানো রায়টি জুলাই উত্থানের সঙ্গে যুক্ত দ্বিতীয় মানবাধিকার লঙ্ঘন মামলার রায় হবে।
চাঁখারপুল হত্যাকাণ্ডে মোট আটজন পুলিশকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে প্রাক্তন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান, যৌথ কমিশনার সুধীপ কুমার চক্রবর্তী, প্রাক্তন অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার শা আলম মোহাম্মদ আখতারুল ইসলাম, রামনা জোনের প্রাক্তন সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল। এছাড়াও শাহবাগ পুলিশ স্টেশন (অপারেশন) ইন্সপেক্টর আরশাদ হোসেন এবং কনস্টেবল সুজন হোসেন, ইমাজ হোসেন, নাসিরুল ইসলামকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই আটজনের মধ্যে চারজন (আরশাদ, সুজন, ইমাজ, নাসিরুল) গ্রেফতার হয়েছে, বাকি চারজন বর্তমানে অপ্রাপ্য।
প্রোসিকিউশন দাবি করে হাবিবুর,



