28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাইংল্যান্ডের রেহান আহমেদ ও আদিল রশিদের ভারতীয় ভিসা অনুমোদিত

ইংল্যান্ডের রেহান আহমেদ ও আদিল রশিদের ভারতীয় ভিসা অনুমোদিত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি চলাকালীন, ভারত সরকার ইংল্যান্ডের দুই ক্রিকেটার রেহান আহমেদ ও আদিল রশিদের ভিসা শেষমেশ অনুমোদন করেছে। উভয় খেলোয়াড় পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হওয়ায় পূর্বে ভিসা প্রক্রিয়ায় জটিলতা দেখা গিয়েছিল। এই অনুমোদন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ।

ভারতে পাকিস্তানি বংশের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ায় মোট ৪২ জনের আবেদন বিলম্বিত হয়ে থাকে। এই দেরি বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটারকে প্রভাবিত করেছে, যার মধ্যে কানাডা, নেদারল্যান্ডস, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইংল্যান্ড, ইতালি, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নাম অন্তর্ভুক্ত।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, সকল আবেদনকারীর ভিসা সময়মতো দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আইসিসি উল্লেখ করেছে যে, পাকিস্তানি বংশের বা পাকিস্তান নাগরিকদের ভিসা প্রক্রিয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

গত সপ্তাহে ইংল্যান্ড দলের বাকি সদস্যদের ভিসা ইতিমধ্যে ইস্যু হয়ে গিয়েছিল, তবে রেহান আহমেদ ও আদিল রশিদ এখনও অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিলেন। তাদের ভিসা এখনো না পাওয়া পর্যন্ত দলীয় শিবিরে কিছু অনিশ্চয়তা দেখা গিয়েছিল।

আজ ভিসা অনুমোদনের ফলে ইংল্যান্ড শিবিরে স্বস্তি ফিরে এসেছে। দুই খেলোয়াড়ের উপস্থিতি টিমের প্রস্তুতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভিসা পাওয়ার পর তারা দ্রুতই প্রশিক্ষণ ও কৌশলগত পরিকল্পনায় অংশগ্রহণ করবেন।

আইসিসি পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে, পাকিস্তানি বংশের বা পাকিস্তান নাগরিকদের সকল খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ এবং কর্মকর্তাদের ভিসা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এই নিশ্চয়তা টুর্নামেন্টের সময়সূচি মেনে চলতে সহায়তা করবে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কিছু পাকিস্তানি বংশের ক্রিকেটার ভিসা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। তাদের ভিসা প্রক্রিয়ায় দেরি টিমের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনায় বাধা সৃষ্টি করেছিল।

ভারত ও পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা ভিসা প্রক্রিয়াকে কঠিন করে তুলেছে। বিশেষ করে পাকিস্তানি নাগরিক বা পাকিস্তানি বংশের ব্যক্তিদের জন্য ভারতীয় ভিসা পাওয়া এখন সহজ নয়। এই পরিবেশে ক্রীড়া ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রায়শই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে।

২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের আগে পাকিস্তান জাতীয় দলও ভিসা জটিলতার সম্মুখীন হয়েছিল। স্বল্প সময়ের মধ্যে ভিসা পাওয়া না গেলে দলকে ভ্রমণ পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করতে হয়েছিল। এই ঘটনা ভিসা সমস্যার প্রভাবকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।

আইসিসি সূত্রে জানা যায়, কানাডা, নেদারল্যান্ডস, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইংল্যান্ড, ইতালি, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মোট ৪২টি ভিসা আবেদন জমা হয়েছে। এর মধ্যে নেদারল্যান্ডস ও কানাডার খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের ভিসা ইতিমধ্যে ইস্যু করা হয়েছে।

পরবর্তী সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বাংলাদেশ ও কানাডা দলের সদস্যদের জন্য ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারিত হয়েছে। এই অ্যাপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে বাকি আবেদনকারীদের প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ দলের ক্ষেত্রে, কোচিং স্টাফে যুক্ত প্রাক্তন পাকিস্তানি স্পিনার মুশতাক আহমেদের ভিসা প্রক্রিয়াও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। তার ভিসা অনুমোদিত হলে তিনি দলের প্রস্তুতিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারবেন।

ভিসা সমস্যার সমাধান হয়ে যাওয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি এখন নির্ধারিত অনুযায়ী চলছে। ইংল্যান্ড দল শিবিরে পূর্ণ শক্তি নিয়ে প্রস্তুতি চালিয়ে যাবে, আর আইসিসি সকল দেশের খেলোয়াড়ের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments