28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাশাকসু নির্বাচনের দাবিতে সুতের উপাচার্য ও কর্মচারীরা ১২ ঘণ্টা আটক, পরে মুক্তি

শাকসু নির্বাচনের দাবিতে সুতের উপাচার্য ও কর্মচারীরা ১২ ঘণ্টা আটক, পরে মুক্তি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সুত) উপাচার্য এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, সহ-উপাচার্য মো. সাজেদুল করিম এবং কয়েকজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোমবার রাত একটার দিকে প্রায় বারো ঘন্টার বেশি সময়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের দরজা বন্ধ অবস্থায় ছিলেন। এই অবরোধের মূল কারণ ছিল শাকসু (সুতের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) নির্বাচনের দাবি নিয়ে ছাত্র ও প্রার্থীদের আয়োজন করা প্রতিবাদ।

প্রতিবাদটি দুপুর ১২ঃ৩০ টার দিকে তীব্রতা পায়, যখন দুইজন প্রার্থী ও একজন শিক্ষার্থী নির্বাচনের রিটের প্রাথমিক শুনানির পর হাইকোর্টের রুল অনুযায়ী চার সপ্তাহের জন্য নির্বাচনের স্থগিতের আদেশ জানায়। হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেল, ‘সাধারণের ঐক্যস্বর’ প্যানেল, স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং কিছু শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমে আসে।

সকাল ৯ টায় ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা থাকা শাকসু নির্বাচনকে রোধের লক্ষ্যে, ছাত্রগোষ্ঠী সুতের প্রধান গেটের সামনে সিলেট‑সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে। অবরোধের সময় রাস্তায় গাড়ি চলাচল ধীর হয়ে যায়, দুই পাশে গাড়ি জ্যাম হয়ে তীব্র যানজট দেখা দেয়।

বিকেল প্রায় ৫ঃ৩০ টায় ছাত্রগোষ্ঠী অবরোধ ত্যাগ করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে একত্রিত হয়। তারা নির্বাচনের অধিকার দাবি করে একের পর এক স্লোগান শোনায়, একই সঙ্গে প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা শুরু করে।

রাতের দিকে ছাত্র ও প্রশাসনের মধ্যে একাধিক বৈঠক হয়। প্রশাসনিক পক্ষ আইনগত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা পুনরায় জোর দেয় এবং চেম্বার আদালতের সিদ্ধান্তের পরপরই পরের দিন ভোট গ্রহণের নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে বলে জানায়। এই তথ্য জানার পর, প্রতিবাদকারীরা রাত একটার দিকে তাদের কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেয়।

তবে, রাতের শেষের দিকে ছাত্রগোষ্ঠী আবার সকালের ১০ টায় নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে, যা পূর্বের অবরোধের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে জানায়। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, তারা আবার নির্বাচনের সঠিক সময়সূচি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চাপ বজায় রাখবে।

একই সময়ে, বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পরে সিন্ডিকেটের একজন সদস্য জানায় যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন চেম্বার আদালতে আপিল করেছে, তবে আপিলের শুনানির তারিখ ও সময় এখনো নির্ধারিত হয়নি। এই তথ্যের ভিত্তিতে, ছাত্রগোষ্ঠী ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সুতের শাকসু নির্বাচন সংক্রান্ত বর্তমান পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত। হাইকোর্টের স্থগিত আদেশ, চেম্বার আদালতের আপিল এবং ছাত্রগোষ্ঠীর ধারাবাহিক প্রতিবাদ একসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগত কার্যক্রমে প্রভাব ফেলছে। উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার ফলাফল এবং আদালতের চূড়ান্ত রায় নির্ধারণ করবে নির্বাচনের সময়সূচি এবং ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক কার্যক্রমের পুনরুদ্ধার।

শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহারিক পরামর্শ: যদি আপনি শাকসু নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত হন, তবে আদালতের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল নোটিশের দিকে নজর রাখুন। সময়মতো তথ্য জানলে আপনার ভোটের অধিকার সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments