২০২৫-২৬ সেকেন্ড ডিভিশন ক্রিকেট লিগের উদ্বোধনী ম্যাচগুলো মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা, তবে ১২টি ক্লাবের অংশগ্রহণ প্রত্যাখ্যানের কারণে লিগের সূচনা অনিশ্চিত অবস্থায়। এই ক্লাবগুলো চারটি ভিন্ন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত প্রথম রাউন্ডে অংশ নিতে অস্বীকার করেছে, যা প্রথম বিভাগে দেখা গিয়েছিল এমনই অবস্থা পুনরায় তৈরি করেছে।
বহিষ্কারের পেছনে মূল কারণগুলো এখনো স্পষ্ট নয়, তবে ক্লাবের ক্যাপ্টেনরা সোমবার জাতীয় ক্রিকেট একাডেমি, মিরপুরে ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ফয়াজুর রহমান, যিনি শৃঙ্খলা কমিটির চেয়ারম্যান এবং ঢাকা মেট্রোপলিসের ক্রিকেট কমিটির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন, উপস্থিত ছিলেন।
প্রথম দিনের ম্যাচসূচিতে আজাদ স্পোর্টিং ক্লাবের মুখোমুখি হবে প্রগতি শেবা সংস্থা, যা কেরানিগঞ্জে অনুষ্ঠিত হবে। মিরপুর বয়েজ ক্রিকেট ক্লাব রায়েরবাজার অ্যাথলেটিক ক্লাবের সঙ্গে পুরবাচলে খেলবে, আর ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্রা মোহাম্মদপুর ক্রিকেট ক্লাবের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে মুখোমুখি হবে। শেষ ম্যাচে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাব বাংলাদেশ বয়েজ ক্লাবের সঙ্গে বিএসপি‑৪-এ লড়াই করবে।
যদিও সূচি নির্ধারিত হয়েছে, তবে পরবর্তী আটটি ম্যাচের অর্ধেকেরও দল উপস্থিত না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উপস্থিত দলগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়াকওভার প্রদান করা হবে, যদি তাদের প্রতিপক্ষ না আসে; আর যদি উভয় দলই না আসে, তবে ম্যাচটি বাতিল করা হবে। এই পরিস্থিতি লিগের সামগ্রিক প্রতিযোগিতার গতি ও ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বর্তমানে ১২টি দল নিশ্চিত হয়েছে এবং সম্ভবত ১৩তম দল যোগ দিতে পারে। লিগের নিয়মাবলী প্রথম বিভাগের মতোই অনুসরণ করা হবে, এবং প্রথম রাউন্ডে উপস্থিত না হওয়া দলগুলোকে নিম্ন বিভাগে নামিয়ে দেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্তের ভিত্তি হল লিগের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সকল অংশগ্রহণকারীকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।
প্রথম বিভাগেও একই রকমের বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে ২০টি ক্লাবের মধ্যে আটটি ক্লাব ক্রিকেট বোর্ডের বৈধতা, নির্বাচনী অস্বচ্ছতা এবং অন্যান্য অমীমাংসিত অভিযোগ নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। সেই সময়ের মতোই, দ্বিতীয় বিভাগেও ক্লাবগুলো একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যা লিগের পরিচালনায় অতিরিক্ত চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে।
লিগের পরবর্তী রাউন্ডের সময়সূচি এখনও নির্ধারিত হয়েছে, তবে অংশগ্রহণকারী ক্লাবের উপস্থিতি নিশ্চিত না হলে সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের সম্ভাবনা রয়ে গেছে। সব দলই যদি মাঠে উপস্থিত হয়, তবে লিগের প্রচলিত পয়েন্ট সিস্টেম অনুযায়ী র্যাঙ্কিং নির্ধারিত হবে এবং রিলিগেশন নিয়মের অধীনে নিম্ন বিভাগে নামিয়ে দেওয়া হবে। উন্মুক্ততা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অতিরিক্ত নির্দেশনা প্রত্যাশিত।



