20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিদুর্গম কেন্দ্রের নির্বাচনী ব্যালট ও কর্মী পরিবহনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার

দুর্গম কেন্দ্রের নির্বাচনী ব্যালট ও কর্মী পরিবহনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার

দুর্গম নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট, অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী এবং নির্বাচনী দায়িত্বে নিযুক্ত কর্মকর্তাবৃন্দের পরিবহনের জন্য বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে, এ সিদ্ধান্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর নির্দেশে নেওয়া হয়েছে। এই ঘোষণা সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকের পর প্রকাশিত হয়।

বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তারা নির্বাচনের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। দূরবর্তী ও কঠিন ভূখণ্ডে দ্রুত ও নিরাপদে ব্যালট সরবরাহের জন্য হেলিকপ্টারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান।

হেলিকপ্টার ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যালটসহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রীকে সময়মতো এবং নিরাপদে দুর্গম এলাকায় পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ ধরনের আকাশীয় পরিবহন ব্যবস্থা বিশেষত বন্যা, বালু ধ্বংসাবশেষ বা খারাপ রাস্তার অবস্থা থেকে মুক্তি দেয় এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর দুষ্কৃতিকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার প্রচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের স্বচ্ছতা রক্ষার জন্য অপতৎপরতা ও অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করেছে। এই নীতি অনুসারে, আইনশৃঙ্খলা সংস্থা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে অপরাধীকে আদালতে হাজির করবে এবং প্রয়োজনীয় শাস্তি নিশ্চিত করবে।

নির্বাচনের চার দিন আগে থেকে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা সংস্থা নিবিড় টহল চালাবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় টহলকে সমন্বিতভাবে পরিচালনা করতে হবে, যাতে কোনো অননুমোদিত কার্যকলাপের সম্ভাবনা কমে যায়।

টহল কার্যক্রমে পুলিশ, রেঞ্জার, গার্ড এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী উল্লেখ করেন, এই সমন্বিত প্রচেষ্টা নির্বাচনের পূর্বে এবং চলাকালীন সময়ে নিরাপত্তা ঝুঁকি হ্রাসে সহায়ক হবে।

দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করার পরিকল্পনা নির্বাচনী দায়িত্বে নিযুক্ত কর্মীদের নিরাপত্তা বাড়াবে এবং সময়সীমা মেনে ব্যালট সরবরাহে সহায়তা করবে। এ ধরনের ব্যবস্থা বিশেষত দূরবর্তী গ্রাম ও পাহাড়ি অঞ্চলে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করবে।

প্রশাসনিক দিক থেকে, হেলিকপ্টার পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিমান বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সমন্বয় প্রয়োজন হবে। এ জন্য অতিরিক্ত লজিস্টিক পরিকল্পনা এবং নিরাপত্তা প্রোটোকল তৈরি করা হবে, যাতে কোনো দুর্ঘটনা বা দেরি না ঘটে।

নির্বাচনের ফলাফল ও রাজনৈতিক পরিবেশের উপর এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা কী প্রভাব ফেলবে তা এখনো স্পষ্ট নয়, তবে সকল রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানানো হয়েছে যে তারা শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়সঙ্গত প্রচারণা চালাবে।

নির্বাচন কমিশনও হেলিকপ্টার ব্যবহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যালটের নিরাপদ সংরক্ষণ ও বিতরণ নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত তদারকি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, দূরবর্তী নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে আকাশীয় পরিবহন এবং তীব্র টহল ব্যবস্থা নির্বাচনকে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং নিরাপদ রাখতে সহায়তা করবে বলে সরকারী কর্মকর্তারা আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments