28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এয়ার অফিসার্স সম্মেলন ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এয়ার অফিসার্স সম্মেলন ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত

সোমবার, ঢাকা সেনানিবাসের বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এয়ার অফিসার্স সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ইন্টার‑সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সম্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে বিমান বাহিনীর প্রধান, এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও বিভিন্ন শাখার প্রধানদের সমাবেশ দেখা যায়।

সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিমান বাহিনীর কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণ এবং দেশের আকাশসীমা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নীতি ও পরিকল্পনা আলোচনা করা। এয়ার চিফ মার্শাল খান সম্মেলনে উপস্থিত সকলকে দেশের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধিতে বিমান বাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে সচেতন করার আহ্বান জানান।

বিমান চিফের ভাষণে দেশের আকাশসীমা রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়নে বিমান বাহিনীর অবদানকে গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, আকাশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু সামরিক দায়িত্ব নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা উপর জোর দিয়ে তিনি জানান যে, ২১শ শতাব্দীর দ্রুত পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা পরিবেশে প্রস্তুত থাকতে হলে প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ও সরঞ্জাম আপডেট করা আবশ্যক। এ জন্য নতুন সিমুলেশন সিস্টেম, ড্রোন অপারেশন এবং আন্তর্জাতিক যৌথ প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

বিমান চিফ সকল সদস্যকে আধুনিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা অর্জনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রতিটি অফিসার ও কর্মীকে নিজের দায়িত্বের পরিধি বিস্তৃত করে নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হবে, যাতে ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকা যায়।

বক্তৃতার শেষে তিনি বিমান বাহিনীর সদস্যদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, আগামী দিনে তারা দেশের সেবায় অনন্য উদাহরণ স্থাপন করবে। এই আশাবাদী মন্তব্যের সঙ্গে তিনি সকলকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান, যাতে জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় সমন্বিত প্রচেষ্টা নিশ্চিত হয়।

সম্মেলনের কর্মসূচিতে বিভিন্ন শাখার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনা, প্রশিক্ষণ মডেল বিশ্লেষণ এবং কৌশলগত আলোচনা অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রতিটি সেশন শেষে প্রশ্নোত্তর সেশন পরিচালিত হয়, যেখানে উপস্থিত কর্মকর্তারা সরাসরি মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিমান বাহিনীর উপ-চিফ, ডিভিশন কমান্ডার, প্রশিক্ষণ ও অপারেশন বিভাগের প্রধানসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। সকলের উপস্থিতি সম্মেলনের গুরুত্ব ও গুরত্বকে তুলে ধরে, যা দেশের সামরিক প্রস্তুতিতে একতাবদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়ক।

সম্মেলনের সময় কোনো বিরোধপূর্ণ মতামত বা প্রতিবাদ রেকর্ড করা যায়নি; সকল অংশগ্রহণকারী সম্মিলিতভাবে একমত হয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণের দিকে অগ্রসর হন। এই বিষয়টি ইন্টার‑সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনসের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইএসপিআরের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এয়ার অফিসার্স সম্মেলন বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। এই ধরনের সমাবেশের মাধ্যমে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নীতি নির্ধারণে সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলেন।

রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, এই সম্মেলন সরকারের সামরিক আধুনিকায়ন নীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলকে সমর্থন করে। বিমান বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা ও প্রশিক্ষণ উন্নয়ন পরিকল্পনা সরকারী নিরাপত্তা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা দেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা কাঠামোকে শক্তিশালী করে।

সম্মেলনের পরবর্তী ধাপ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে নির্ধারিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য কাজের পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। এয়ার চিফ মার্শাল খান পরবর্তী ত্রৈমাসিকের মধ্যে অগ্রগতি পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার প্রতিশ্রুতি জানান। এভাবে বিমান বাহিনীর কৌশলগত লক্ষ্যগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments