শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (এসইউএসটি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের দায়িত্ব নিয়ে আজ নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। জাতীয় শিক্ষকমণ্ডলীর মধ্যে জামায়াত-সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণ ভোটের দায়িত্ব গ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এই সিদ্ধান্তটি পূর্বে আটজন বিএনপি-সমর্থক শিক্ষকের পদত্যাগের পরই এসেছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিএনপি-সংশ্লিষ্ট আটজন শিক্ষক নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। পদত্যাগের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষকমণ্ডলের মধ্যে বিভাজন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জামায়াত-অনুগত শিক্ষকগণ এখন নির্বাচনের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত। এই পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের জন্য কী প্রভাব ফেলবে, তা পর্যবেক্ষণ করা হবে।
সোমবার দুপুর ১২:৩০ টার কাছাকাছি নতুন সামাজিক ভবনের শিক্ষক মিলনায়তনে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি টিচারস লিংক (ইউটিএল) বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। তিনি শিক্ষকমণ্ডলের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। সম্মেলনের মূল বিষয় ছিল শাকসু নির্বাচনের সময়সূচি ও দায়িত্ববণ্টন।
অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, তারা আগামীকাল, অর্থাৎ মঙ্গলবার ভোটের ব্যবস্থা করতে চায়। এছাড়া, তারা শাকসু নির্বাচনে পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই ঘোষণার মাধ্যমে শিক্ষকগণ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা নিতে চান। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।
ইউটিএল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিক্ষকমণ্ডলের একটি স্বতন্ত্র সংগঠন, যা শিক্ষকদের স্বার্থ ও পেশাগত দায়িত্ব রক্ষা করে। শাকসু নির্বাচনে তাদের অংশগ্রহণের ফলে প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বাড়বে বলে আশা করা যায়। সংগঠনটি পূর্বে বিভিন্ন শিক্ষামূলক নীতি নিয়ে আলোচনা করেছে। এখন তারা নির্বাচনী দায়িত্বে নিজেকে যুক্ত করেছে।
একই স্থানে পূর্বে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক আশরাফ উদ্দিনের বক্তব্য শোনা যায়। তিনি স্পষ্ট করে জানান, তার ফোরাম শাকসু নির্বাচনে কোনো দায়িত্ব নেবে না। এই অবস্থান পূর্বের শিক্ষকমণ্ডলের বিভাজনকে আরও উন্মোচিত করে। ফলে দুই গ



