27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনক্লেয়ার বিন্সকে ২০২৬ ইই ব্যাফ্টা ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডে ব্রিটিশ সিনেমার অবদানের জন্য সম্মানিত...

ক্লেয়ার বিন্সকে ২০২৬ ইই ব্যাফ্টা ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডে ব্রিটিশ সিনেমার অবদানের জন্য সম্মানিত করা হবে

ব্রিটিশ একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন (ব্যাফ্টা) সোমবার ঘোষণা করেছে যে পিকচারহাউস সিনেমা ও পিকচারহাউস এন্টারটেইনমেন্টের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর ক্লেয়ার বিন্সকে ২০২৬ ইই ব্যাফ্টা ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডে ‘আউটস্ট্যান্ডিং ব্রিটিশ কন্ট্রিবিউশন টু সিনেমা’ পুরস্কার প্রদান করা হবে। এই বিশেষ পুরস্কারটি আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হবে এবং এটি ব্যাফ্টার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হয়।

এই সম্মানটি এমন ব্যক্তিবর্গ বা সংস্থাকে দেওয়া হয় যারা নির্দিষ্ট কোনো প্রকল্প বা কাজের মাধ্যমে চলচ্চিত্র শিল্পে উল্লেখযোগ্য ও অনুপ্রেরণামূলক অবদান রেখেছেন, বিশেষত যাঁরা সাধারণ প্রতিযোগিতামূলক ক্যাটাগরিতে অংশ নিতে পারেন না। ব্যাফ্টা এই পুরস্কারকে শিল্পের বৈচিত্র্য ও স্বাধীনতা বজায় রাখতে সহায়ক হিসেবে তুলে ধরেছে।

ব্যাফ্টার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ক্লেয়ার বিন্স গত চার দশক ধরে ব্রিটিশ চলচ্চিত্র জগতে একটি অনন্য সুনাম গড়ে তুলেছেন। তিনি স্বাধীন ও বৈচিত্র্যময় চলচ্চিত্রকে বড় পর্দায় তুলে ধরতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে আসছেন, যা দেশের সিনেমা সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে।

তার নেতৃত্বে পিকচারহাউস বিভিন্ন স্বতন্ত্র নির্মাতার কাজকে সমর্থন করেছে, যার মধ্যে ড্যানি বুলি, ফ্রান্সিস লি, স্টিভ ম্যাককুইন, শোলা আমো, শার্লট রেগান এবং অ্যালিস উইনোকুরের নাম উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ‘ডিয়ারস্কিন’, ‘দ্য ওয়াইফ’, ‘টেস্ট অফ থিংস’, ‘দ্য লাস্ট ট্রি’, ‘মনস্টার’ এবং ‘গডস ওন কান্ট্রি’ মতো চলচ্চিত্রগুলোকে দেশের বিভিন্ন শহরে প্রদর্শন করা হয়েছে।

ক্লেয়ার বিন্স দর্শকসংখ্যা বাড়াতে নানা উদ্যোগ চালু করেছেন। তিনি রিল্যাক্সড স্ক্রিনিং, প্যারেন্ট‑এন্ড‑বেবি, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে দর্শকদের জন্য বিশেষ সেশন এবং এমনকি কুকুরসহ দর্শকদের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করেছেন। এই ধরনের প্রোগ্রামগুলো সিনেমা হলকে স্থানীয় সম্প্রদায়ের কেন্দ্রবিন্দুতে রূপান্তরিত করেছে।

সামাজিক দায়িত্বের ক্ষেত্রেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। পিকচারহাউস রিটজি থিয়েটারে ব্রিক্সটন সূপ কিচেন ও পোয়েটিক ইউনিটি’র সঙ্গে যৌথ প্রকল্প চালু করে স্থানীয় দরিদ্র জনগণের জন্য খাবার ও সাংস্কৃতিক কর্মশালা প্রদান করেছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সিনেমা হলকে শুধু বিনোদনের স্থান নয়, সামাজিক সংযোগের কেন্দ্রেও পরিণত করা হয়েছে।

এছাড়া, যুক্তরাজ্যের গৃহহিংসা শিকারীদের সহায়তা করে এমন ‘রিফিউজ’ চ্যারিটিকে পিকচারহাউসের প্রধান দাতব্য অংশীদার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। রিফিউজের সঙ্গে নিয়মিত তহবিল সংগ্রহের ইভেন্ট ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়, যা গৃহহিংসা সমস্যার প্রতি জনসচেতনতা বাড়াতে সহায়তা করে।

ব্যাফ্টা এই পুরস্কারটি প্রদান করার সময় ক্লেয়ার বিন্সের শিল্পে প্রভাবকে ‘গভীর ও প্রশংসনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং তাকে ‘একজন প্রতিভাবান ও প্রিয় দৃষ্টান্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তার কাজের মাধ্যমে বহু তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা ও দর্শককে নতুন দৃষ্টিকোণ ও সুযোগ প্রদান করা হয়েছে।

এই স্বীকৃতি ব্রিটিশ চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। ক্লেয়ার বিন্সের মতো ব্যক্তিরা স্বাধীন চলচ্চিত্রের বিকাশে এবং দর্শকদের বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা প্রদান করতে অবদান রাখছেন, যা দেশের সৃজনশীল শিল্পকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে শক্তিশালী করে তুলবে।

২০২৬ ইই ব্যাফ্টা ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডের অনুষ্ঠান লন্ডনের রেড কার্পেটের ওপর অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে দেশের সেরা চলচ্চিত্র ও শিল্পী উপস্থিত থাকবেন। ক্লেয়ার বিন্সের এই সম্মাননা তার দীর্ঘমেয়াদী পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হবে এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি স্বাধীন চলচ্চিত্রকে সমর্থন করার জন্য অনুপ্রেরণা দেবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments