28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাসাত কলেজের শিক্ষার্থীরা ১৯-২২ জানুয়ারি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশের দাবিতে প্রতিবাদ শুরু

সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা ১৯-২২ জানুয়ারি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশের দাবিতে প্রতিবাদ শুরু

সপ্তটি কলেজের শিক্ষার্থীরা ১৯ জানুয়ারি সোমবার থেকে ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চার দিনের কর্মসূচি চালু করেছে, যাতে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির চূড়ান্ত অধ্যাদেশের অনুমোদন চাওয়া হচ্ছে।

প্রতিবাদসূচি রোববার (১৮ জানুয়ারি) প্রকাশিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সকাল ১১:৩০ টায় রাজধানীর সায়েন্সল্যাব এলাকায় একটি ভ্রাম্যমাণ ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ উন্মোচিত হবে এবং একই সঙ্গে সাতটি কলেজ ক্যাম্পাসে পাঁচটি অতিরিক্ত মঞ্চ স্থাপন করা হবে।

ভ্রাম্যমাণ মঞ্চটি ১৯ থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত সাতটি কলেজের ক্যাম্পাসে পর্যায়ক্রমে ঘুরে বেড়াবে। প্রতিটি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং অন্যান্য সুধীজনের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করবে।

২২ জানুয়ারি আবার সায়েন্সল্যাব মোড়ে ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ ও ক্যাম্পাসভিত্তিক মঞ্চগুলো একত্রিত হয়ে বৃহৎ সমাবেশের আয়োজন করবে। এই সমাবেশে অধ্যাদেশের যৌক্তিকতা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জনগণের কাছে তথ্য প্রদান করা হবে।

প্রতিবাদ সংগঠকরা জানিয়েছেন, যদি অধ্যাদেশের চূড়ান্ত অনুমোদন হয়ে বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়, তবে সায়েন্সল্যাবের গণজমায়েত থেকে একটি বিজয় মিছিলের মাধ্যমে সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হবে।

অন্যদিকে, অনুমোদন বা গেজেট প্রকাশে কোনো বিলম্ব হলে, সমাবেশের অংশগ্রহণকারীরা যমুনা নদী বা সচিবালয়ের দিকে বৃহৎ পদযাত্রা চালাবে, যা তাদের অসন্তোষের প্রতীক হবে।

একই দিনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রণীত অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সব প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চূড়ান্ত খসড়াটি সরকারকে উপস্থাপন করেছে।

মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, এই খসড়া জনসাধারণের যৌক্তিক প্রত্যাশা ও উত্থাপিত উদ্বেগগুলো বিবেচনা করে তৈরি করা হয়েছে, এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার কাঠামো নির্ধারণ করেছে।

বর্তমানে এই খসড়া সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পর্যালোচনার অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রতিবাদে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা মঞ্চে তথ্যপত্র, পোস্টার এবং প্রশ্নোত্তর সেশনসহ বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পরিকল্পনা করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এই আলোচনায় অংশ নিতে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যাতে বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।

শান্তিপূর্ণ সমাবেশ নিশ্চিত করতে স্থানীয় পুলিশ সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে।

এই প্রতিবাদটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনি অবস্থান নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী আলোচনার পরবর্তী ধাপ, যেখানে শিক্ষার্থী গোষ্ঠী ও সরকারী পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা মূলত রাজধানীর উচ্চশিক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন বিজ্ঞান, মানবিক ও পেশাগত বিষয়ের জন্য স্থান তৈরি করা লক্ষ্য রাখে।

পূর্বে কিছু সমালোচক সম্পদ বণ্টন ও শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, নতুন অধ্যাদেশে স্বয়ংসম্পূর্ণ শাসনব্যবস্থা, স্বচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়া এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগের ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জোর দিয়ে বলছে, অধ্যাদেশ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কার্যকরভাবে কাজ শুরু করতে পারবে না এবং প্রথম ব্যাচের ভর্তি প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হবে।

অধিকন্তু, তারা উল্লেখ করেছে যে এই আইনি কাঠামো ক্যাম্পাসের উন্নয়ন, আর্থিক সহায়তা এবং গবেষণা সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য।

চার দিনের কর্মসূচিতে জনসম্মুখে আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সমাপনী র্যালি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

সমাপনী র্যালির পর, শিক্ষার্থীরা সরকারের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণের জন্য একটি সমন্বিত সভা করবে।

বিশ্লেষকরা পর্যবেক্ষণ করছেন, এই ধরনের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ শিক্ষাক্ষেত্রে ছাত্র সক্রিয়তার একটি নতুন দিক উন্মোচন করছে, যা নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপের সুযোগ দিচ্ছে।

মন্ত্রণালয় সকল সংশ্লিষ্ট পক্ষকে চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে মতামত প্রদান করার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে খসড়া আরও উন্নত করা যায়।

শিক্ষার্থীরা জনগণকে অনুরোধ করছেন, নন‑ভায়োলেন্ট পদ্ধতিতে সমর্থন জানিয়ে তথ্যভিত্তিক আলোচনা চালিয়ে যেতে।

প্রায়োগিক টিপস: পাঠকরা মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা বিশ্বস্ত স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশের রিয়েল‑টাইম আপডেট অনুসরণ করতে পারেন।

প্রশ্ন: আপনার দৃষ্টিতে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠা দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলবে?

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments