22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধআলিফ হত্যার অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চট্টগ্রাম আদালতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

আলিফ হত্যার অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চট্টগ্রাম আদালতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আলিফ হত্যার অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। মামলার প্রধান অভিযুক্ত চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীসহ মোট ২৩ জন সন্দেহভাজনকে আদালতে হাজির হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আদালত ভবন ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে অতিরিক্ত পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ জানান, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও র‌্যাবের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধান থাকবে। প্রয়োজনে পুলিশ লাইন থেকে অতিরিক্ত কর্মী আনা হবে।

মামলার শুনানির দায়িত্বে আছেন জেলা ও দায়রা জজ মো. জাহিদুল হক। তিনি আজকের সেশনে অভিযোগ গঠন নিয়ে আলোচনা করবেন এবং শোনার পর আদালতের কার্যক্রম সকাল ৯টার পরে শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব প্রস্তুতি পুলিশই নেবে এবং আদালত চত্বরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় থাকবে।

গত বুধবারের প্রথম শুনানিতে কয়েকজন অভিযুক্ত তাদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগের আবেদন করেন এবং আইনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে থাকে। আদালত তখনই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছিল।

আলিফ হত্যার মামলাটি ৭ জানুয়ারি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। এই মামলাটি মূলত ২৬ নভেম্বর ২০২৪-এ সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর জামিন প্রত্যাখ্যানের পর তার কারাগারে স্থানান্তরের সময় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় উত্থাপিত হয়।

অভিযোগপত্রে মোট ৩৯ জন নাম উল্লেখ রয়েছে, যার মধ্যে ১৬ জন এখনও পলাতক অবস্থায় আছেন। অপরাধের মূল বিষয় হল রাজনৈতিক প্রতিবাদে আইনজীবীর গুলি চালিয়ে হত্যা করা, যা দেশের নিরাপত্তা ও আইনি শৃঙ্খলার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলেছে।

আজকের শুনানিতে যদি প্রধান অভিযুক্তসহ অন্যান্য সন্দেহভাজন উপস্থিত হন, তবে আদালত তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে পরবর্তী বিচার প্রক্রিয়া শুরু করবে। বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব ব্যবস্থা পূর্বেই গৃহীত হয়েছে।

অধিক তথ্যের জন্য আদালতের প্রকাশ্য নোটিশ ও সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নির্দেশনা অনুসরণ করা হবে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটলে তা সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হবে।

এই মামলার পরবর্তী ধাপগুলোতে আইনগত প্রতিনিধিত্বের অধিকার, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রমাণ সংগ্রহের প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আদালত ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা নিশ্চিত করবে যে বিচার প্রক্রিয়া নির্ভুল ও নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন হয়।

সামগ্রিকভাবে, আজকের অভিযোগ গঠনের শুনানি চট্টগ্রামের আইনি পরিবেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার এবং আইনগত প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু পরিচালনা একসঙ্গে লক্ষ্য করা হচ্ছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments