27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমিনিয়াপোলিসে বিক্ষোভ দমনে ট্রাম্প প্রশাসন ১,৫০০ সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিল

মিনিয়াপোলিসে বিক্ষোভ দমনে ট্রাম্প প্রশাসন ১,৫০০ সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিল

মিনিয়াপোলিসে আইসিই (ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) বিরোধী বিক্ষোভের পর, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে প্রায় দেড় হাজার সৈন্যকে প্রস্তুত অবস্থায় রাখা হয়েছে। সেনারা আলাস্কার ফোর্ট ওয়েনরাইটের ১১তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের অধীনে, সতর্ক অবস্থায় থাকা নির্দেশ পেয়েছে এবং তাদের চূড়ান্ত মোতায়েনের সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্টের হাতে রয়ে গেছে।

একজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার মতে, সেনাদের প্রস্তুতি বিক্ষোভের তীব্রতা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনা করে নেওয়া হয়েছে। ৭ জানুয়ারি রেনি গুডের গুলিতে নিহত হওয়ার পর থেকে শহরে উত্তেজনা বাড়ে চলেছে; গুড আইসিই এজেন্টদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী আইনি পর্যবেক্ষক ছিলেন। তার মৃত্যুর পর ট্রাম্প প্রশাসন তাকে “দেশীয় সন্ত্রাসী” বলে উল্লেখ করে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

গুডের মৃত্যুর প্রতিবাদে শহরের বিভিন্ন স্থানে “রেনি গুডের বিচার চাই” স্লোগানে বিক্ষোভ চলতে থাকে। এই বিক্ষোভের মুখে ট্রাম্প ইনসারেকশন অ্যাক্ট (বিদ্রোহ আইন) প্রয়োগের হুমকি দিয়েছেন, যা সক্রিয় সৈন্যদের দেশীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যবহার করা সম্ভব করবে। আইনটি কার্যকর হলে ফেডারেল এজেন্টদের পাশাপাশি সক্রিয় সেনা সদস্যদেরও শাসন বজায় রাখতে অনুমোদন পাবে।

মিনেসোটা গভার্নর টিম ওয়ালজ ন্যাশনাল গার্ডকে তলব করে এবং স্থানীয় পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সময়ে ফেডারেল বিচারক ক্যাথরিন মেনেন্দেজ একটি রুল জারি করে, যেখানে ফেডারেল এজেন্টদের কোনো শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা নিষিদ্ধ এবং পেপার স্প্রে বা গোলমরিচের গুঁড়ো ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

বিচারকের আদেশে বিশেষভাবে আইসিই এজেন্টদের পর্যবেক্ষণকারী পর্যবেক্ষকদের কাজের কোনো হস্তক্ষেপ না করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এই আইনি বাধা ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মিনিয়াপোলিসের স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো রেনি গুডকে সন্ত্রাসী বলে অভিহিত করার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা যুক্তি দিয়েছেন যে, এক নাগরিকের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পর প্রশাসনের আক্রমণাত্মক মন্তব্য জনরোষকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

বিক্ষোভের সময় শহরের নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়লেও, মিনেসোটা কর্তৃপক্ষ এখনও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের আহ্বান জানাচ্ছে এবং নাগরিকদের নিরাপদে প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার জন্য সতর্কতা বজায় রাখতে বলছে। ভবিষ্যতে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত, ইনসারেকশন অ্যাক্টের প্রয়োগ এবং আদালতের রুলের কার্যকরতা রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নীতি এবং নাগরিক অধিকার নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সূত্রপাত করতে পারে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments