ঢাকা – আজ ইন্টারিম সরকার ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস বিভাগ স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুসের রেফারেন্ডামে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সমর্থন বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের জন্য গণতান্ত্রিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
প্রেস বিভাগ উল্লেখ করেছে যে ইউনুসের সমর্থন সরকারী সংস্কারমূলক ম্যান্ডেট, দেশের তাত্ক্ষণিক প্রাতিষ্ঠানিক নবায়নের প্রয়োজন, আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক অনুশীলন এবং ভোটারদের প্রতি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে গৃহীত হয়েছে।
বক্তব্যে বলা হয়েছে, শেষ সিদ্ধান্ত ভোটারদের হাতে থাকবে এবং এটাই গণতান্ত্রিক গ্যারান্টি। নেতৃত্বের ভূমিকা ভোটারদের পছন্দকে বাদ না দিয়ে তা স্পষ্ট করা, এই দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কিছু বিশ্লেষণ রেফারেন্ডামের পূর্বে ইন্টারিম সরকার ও প্রধান উপদেষ্টার উন্মুক্ত ‘হ্যাঁ’ সমর্থনকে অস্থায়ী প্রশাসনের প্রত্যাশার সঙ্গে বিরোধপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরেছে। সরকার এই উদ্বেগগুলোকে সম্মানজনকভাবে বিবেচনা করার কথা জানিয়েছে।
সরকারের মতে, বর্তমান রূপান্তরমূলক সময়ে নীরবতা নিরপেক্ষতা নয়; বরং নেতৃত্বের ব্যর্থতা হিসেবে গণ্য হবে। এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি সমর্থনের বদলে দ্বিধা ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা, যা জনগণের আস্থা ক্ষয় করে এবং রূপান্তরের সামঞ্জস্যকে ক্ষুণ্ন করে।
প্রেস বিভাগ জোর দিয়ে বলেছে যে, সরকার যে সংস্কারগুলোকে সমর্থন করেছে, সেগুলোকে ত্যাগ করলে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি বাড়বে এবং রূপান্তরের ধারাবাহিকতা নষ্ট হবে। তাই, সমর্থন প্রকাশ করা নেতৃত্বের দায়িত্বের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইন্টারিম সরকারের এই ব্যাখ্যা রেফারেন্ডামের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, কারণ সরকারী দিক থেকে স্পষ্ট সমর্থন ভোটারদের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করতে পারে। তবে, সমর্থনের মাত্রা ও তার প্রভাব সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত বিদ্যমান, যা রেফারেন্ডামের পরবর্তী রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে নির্ধারণ করবে।
সারসংক্ষেপে, সরকার প্রফেসর ইউনুসের ‘হ্যাঁ’ ভোটের সমর্থনকে দেশের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে উপস্থাপন করেছে এবং ভোটারদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের গুরুত্বকে পুনর্ব্যক্ত করেছে। ভবিষ্যতে রেফারেন্ডামের ফলাফল ও তার পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপগুলো দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সংস্কার প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



