22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিচীনের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা শুরু হবে, রিজওয়ানা হাসান জানান

চীনের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা শুরু হবে, রিজওয়ানা হাসান জানান

নীলফামারীর গণভোট প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, চীনের চূড়ান্ত সম্মতি পাওয়া মাত্র তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হবে।

রিজওয়ানা হাসান উল্লেখ করেন, প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় সব নথি ইতিমধ্যে চীনের সংশ্লিষ্ট সংস্থায় পাঠানো হয়েছে এবং তহবিল সংক্রান্ত আলোচনাও সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে চীনা বিশেষজ্ঞ দল প্রযুক্তিগত ও আর্থিক দিকগুলো পর্যালোচনা করছে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তরাঞ্চলের কৃষি, সেচ এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে বলে তিনি বলেন। এই উদ্যোগকে শুধুমাত্র একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়, বরং অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতিও সরকারকে অগ্রাধিকার হিসেবে দেখা হচ্ছে। সব ধরনের বাধা মোকাবিলায় প্রশাসন প্রস্তুত, এবং জনগণকে সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও দলীয় প্রভাবমুক্তি নিশ্চিত করতে মোট বারোটি মূল বিষয় চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব বিষয়ের ভিত্তিতে প্রশাসনের জবাবদিহিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।

রিজওয়ানা হাসান ভোটারদেরকে সংস্কারের চারটি প্রশ্নের জন্য গোলাপি রঙের ব্যালট পেপার প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন। তিনি যোগ করেন, যদি জনগণ জবাবদিহিমূলক প্রশাসন চান, তবে সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোটে সিল দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন এবং রংপুর বিভাগের কমিশনার কার্যালয়ের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) আবু জাফরকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিতি জানান।

উল্লেখযোগ্য যে, তিস্তা মহাপরিকল্পনা চীনের সাথে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এর সফল বাস্তবায়ন উভয় দেশের জন্য কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে।

প্রকল্পের তহবিলের ব্যাপারে সরকার ইতিমধ্যে চীনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বলে রিজওয়ানা হাসান জানান। তহবিলের স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে তৃতীয় পক্ষের অডিট ব্যবস্থা গৃহীত হবে।

কৃষক ও সেচকর্মীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হবে, যা ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সহায়ক হবে। এছাড়া, বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন ড্যাম ও সেচ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে।

এই প্রকল্পের সম্পন্ন হওয়ার পর উত্তরাঞ্চলে কৃষি উৎপাদন বাড়বে, বন্যা ক্ষতি কমবে এবং স্থানীয় অর্থনীতির উন্নতি ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রিজওয়ানা হাসান শেষ করে বলেন, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণই প্রকল্পের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি, এবং ভোটের মাধ্যমে জনগণকে তাদের ভবিষ্যৎ গঠনে সরাসরি ভূমিকা নিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments