বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা, ব্যারিস্টার জাইমা রহমান রবিবার ঢাকার খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত ‘জাতি গঠনে নারী: নীতি, সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি দেশের সেবা ও উন্নয়নের জন্য প্রত্যেকের আন্তরিকতা থাকা দরকার বলে জোর দেন।
এই সভা নারী ক্ষমতায়ন ও নীতি প্রণয়নকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে বিভিন্ন পেশা ও বয়সের প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়েছেন। আলোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে নারীর ভূমিকা কীভাবে শক্তিশালী করা যায় তা নিয়ে ধারণা বিনিময়।
জাইমা রহমান, যিনি আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী হিসেবে পরিচিত, তারেক রহমানের কন্যা হওয়ায় রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি পূর্বে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক প্রকল্পে অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করেছেন, তবে এই অনুষ্ঠানটি তার প্রথম নীতি‑স্তরের প্রকাশনা হিসেবে চিহ্নিত হয়।
উক্তি অনুসারে, সভায় উপস্থিত সবাই একে অপরের থেকে আলাদা—আদর্শ, অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন। তিনি বলেন, এই বৈচিত্র্যই দেশের উন্নয়নের ভিত্তি এবং প্রত্যেকের নিজস্ব অবদান গুরুত্বপূর্ণ।
জাইমা আরও জানান, তিনি এখানে দাঁড়িয়ে ভিন্ন অনুভূতি ও আবেগের সঙ্গে কথা বলছেন। এটি তার নীতি‑মঞ্চে প্রথম বক্তব্য, যা তাকে নতুন দায়িত্বের মুখোমুখি করেছে। তিনি স্বীকার করেন যে সব প্রশ্নের উত্তর তার কাছে নেই, তবু তিনি ছোট থেকে বড় কোনো স্তরে সমাজের কল্যাণে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
তার এই মন্তব্যের মূল বার্তা ছিল—যে কোনো ব্যক্তির অবস্থান যাই হোক না কেন, দেশের জন্য কিছু করার আন্তরিকতা থাকা উচিত। তিনি ব্যক্তিগতভাবে সব সমস্যার সমাধান জানার দাবি না করে, তবে সবার মধ্যে এই মনোভাবের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।
আলোচনার বিষয়বস্তুতে নারী নীতি, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ছিল। অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন। জাইমা রহমানের বক্তব্য এই আলোচনার মূল থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা দেশের উন্নয়নে নারীর সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করতে চায়।
রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে, জাইমা রহমানের এই আহ্বান বিএনপি’র নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি চলাকালে দলটি নারী ভোটার ও কর্মীর সঙ্গে সংযোগ শক্তিশালী করতে চায়, এবং এই ধরনের প্রকাশনা তার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে। তার বক্তব্য ভবিষ্যতে নারী নেতৃত্বের প্রোফাইল গড়ে তোলার জন্য একটি সূচক হতে পারে।
সারসংক্ষেপে, জাইমা রহমানের ‘দেশের জন্য কিছু করার’ বার্তা নারী নীতি আলোচনার কেন্দ্রে অবস্থান করে এবং দেশের উন্নয়নে সকলের অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করে। তার এই প্রকাশনা রাজনৈতিক ও সামাজিক উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যা দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে নারীর ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করবে।



