19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধমহেশখালীতে কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে দুইটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও চারটি...

মহেশখালীতে কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে দুইটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও চারটি তাজা কার্তুজ জব্দ

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর সমন্বিত অভিযান রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল পাঁচটায় শুরু হয়। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ধলঘাটা উত্তর মুহুরি ঘোনা এলাকায় সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর গোপন আস্তানা লক্ষ্য করা হয়। দুই সংস্থার দল একত্রে প্রবেশ করে অনুসন্ধান চালায় এবং দুইটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও চারটি তাজা কার্তুজ জব্দ করা সম্ভব হয়।

অভিযানের সময় সন্ত্রাসীরা বাহিনীর উপস্থিতি লক্ষ্য করে তৎক্ষণাৎ পলায়ন করে, তবে জব্দকৃত সামগ্রীগুলো তাদের গোপন ঘাঁটিতে পাওয়া যায়, যা সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সম্ভাব্য প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর সমন্বিত দল দ্রুত তল্লাশি চালিয়ে আশেপাশের অন্যান্য সন্দেহজনক স্থানে নজরদারি বাড়ায়। এই পদক্ষেপগুলো স্থানীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করবে বলে আশা করা যায়।

জব্দকৃত দুইটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন ও মডেল এখনও নিশ্চিত করা হয়নি, তবে সূত্র অনুযায়ী সেগুলো স্বল্প দূরত্বে ব্যবহৃত স্বয়ংক্রিয় রাইফেল হতে পারে। চারটি তাজা কার্তুজের মধ্যে রাউন্ডের সংখ্যা ও ক্যালিবারও তদন্তের অধীনে রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া অনুসারে, জব্দকৃত সামগ্রীগুলোকে যথাযথ আদালতে হস্তান্তর করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ফরেনসিক বিশ্লেষণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে প্রমাণ সংরক্ষণ ও দায়েরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানিয়েছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও চালিয়ে যাবে। তিনি উল্লেখ করেন, মহেশখালীসহ দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চলে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর গোপন ঘাঁটি ধ্বংস করা নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে সশস্ত্র অপরাধের বিস্তার রোধ করা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

জব্দকৃত অস্ত্র ও কার্তুজের আইনি প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান। সংশ্লিষ্ট তদন্ত দল প্রমাণ সংগ্রহ, সাক্ষী বিবৃতি এবং ফরেনসিক রিপোর্টের ভিত্তিতে মামলাটি আদালতে দাখিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদি প্রমাণ যথেষ্ট প্রমাণিত হয়, তবে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর এই সক্রিয় পদক্ষেপগুলো দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা কাঠামোকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments