20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধগুলশানের কালাচাঁদপুরে ২৭ বছর বয়সী নারীর গলা কাটা মৃতদেহ উদ্ধার

গুলশানের কালাচাঁদপুরে ২৭ বছর বয়সী নারীর গলা কাটা মৃতদেহ উদ্ধার

গুলশান জেলার কালাচাঁদপুর এলাকায় আজ প্রভাতে ২৭ বছর বয়সী এক নারীর গলা কাটা মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। সন্ধ্যা ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে প্রথম তলায় অবস্থিত একটি বাড়ির ভিতরে শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃতদেহের পরিচয় দেওয়া হয়েছে সাদিয়া রহমান মিম নামে, যিনি স্থানীয় একটি বিউটি পার্লারে কর্মরত ছিলেন। তার বয়স ২৭ বছর এবং তিনি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি উপজেলা থেকে আসা।

গুলশান থানা অধিদপ্তরের সাব-ইন্সপেক্টর মো. মারুফ হাসান জানান, দেহটি সন্ধ্যা ১২:১৫ টার দিকে প্রথম তলায় পাওয়া গিয়েছে এবং তা শহীদ সোহরাওয়ার্দি মেডিকেল কলেজের মরগে পাঠানো হয় অটোপসির জন্য।

অটোপসির ফলাফল জানানো হয়নি, তবে দেহে গলা ছিঁড়ে নেওয়া ছাড়া অন্যান্য স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্নও পাওয়া গিয়েছে। এই ধরনের আঘাতের উপস্থিতি তদন্তে অতিরিক্ত দিক নির্দেশ করতে পারে।

মিমের পরিবার জানায়, তিনি ধনবাড়ি, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা এবং কয়েক মাস আগে বিবাহবিচ্ছেদের পর আলাদা বাসা করে গুলশানের কালাচাঁদপুরে বসবাস করছিলেন। তার সঙ্গে একই ফ্ল্যাটে আরেকজন নারী, নুসরাত, থাকতেন, যিনি ঘটনাকালীন শারিয়াতপুরের গ্রামভূমিতে ছিলেন।

মিমের বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকে প্রায় আট মাস ধরে তিনি একা ছিলেন এবং নুসরাতের সঙ্গে শেয়ার করা ফ্ল্যাটে থাকতেন। পরিবারে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের একমাত্র সাদিয়া আক্তার, তার বোন, ছিলেন।

সাদিয়া আক্তার গত শুক্রবার মিমের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তবে পরের দিন ফোন বন্ধ থাকায় তিনি সরাসরি বাড়িতে গিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেন।

বিকেলে সাদিয়া আক্তার বাড়িতে পৌঁছে দেখেন দরজা বাইরে থেকে তালা লাগানো আছে। তিনি তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন এবং গলা কাটা অবস্থায় মিমের দেহটি দেখতে পান।

দেহে গলা ছিঁড়ে নেওয়ার পাশাপাশি হাতে, পা এবং বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্নও পাওয়া যায়। এই সব আঘাত একাধিকবারের আক্রমণ নির্দেশ করে, যা তদন্তের দিক নির্দেশ করবে।

পুলিশ এখন ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত সব প্রমাণ সংগ্রহ করে ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপরাধীর সনাক্তকরণে কাজ করছে। দেহের DNA, রক্তের নমুনা এবং বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে সন্দেহভাজন চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।

গুলশান থানার তদন্তকারী দল ঘটনাটিকে ‘হত্যা’ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করেছে এবং সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অপরাধীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে এবং আদালতে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

এই ধরনের হিংসাত্মক অপরাধের প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সংবেদনশীলতা বজায় রাখা জরুরি। পরিবার ও পরিচিতদের গোপনীয়তা রক্ষা করে, কর্তৃপক্ষের তদন্তে সহযোগিতা করা অপরিহার্য।

প্রাসঙ্গিক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নতুন কোনো তথ্য প্রকাশিত হলে তা জনসাধারণের জানার জন্য প্রকাশ করা হবে। বর্তমানে তদন্ত চলমান এবং সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকাশিত হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments