28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিশেষ আদালত পুরবাচল প্লট গ্যাবার মামলায় রায়ের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ

বিশেষ আদালত পুরবাচল প্লট গ্যাবার মামলায় রায়ের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ

ঢাকার বিশেষ বিচারক আদালত‑৪ আজ একটি রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেছে, যেখানে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারসহ মোট সতেরজনের বিরুদ্ধে পুরবাচল নিউ টাউন প্রকল্পের প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত গ্যাবার মামলার বিচার হবে। রায়ের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত, এবং মামলাটি অ্যান্টি‑করাপশন কমিশনের (এসিসি) উদ্যোগে গৃহীত।

বিচারক মোঃ রাবিউল আলমের নেতৃত্বে আজকের শুনানিতে প্রসিকিউশন ও প্রতিরক্ষার উভয় পক্ষের যুক্তি শোনা হয়। এ সময় এসিসি পাবলিক প্রসিকিউটর মির আহমেদ আলি সালাম উল্লেখ করেন যে, উভয় পক্ষের উপস্থাপিত প্রমাণের ভিত্তিতে রায়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

একই আদালত ১৩ জানুয়ারি আরেকটি গ্যাবার মামলায়ও রায়ের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করেছিল, যেখানে আবার শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারসহ সতেরজনের নাম তালিকাভুক্ত। উক্ত মামলায় টুলিপ সিদ্দিক এবং আজমিনা সিদ্দিকের নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

গত বছর নভেম্বরের শেষ থেকে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে, ৭৮ বছর বয়সী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে চারটি পৃথক গ্যাবার মামলায় মোট ২৬ বছর কঠোর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সেই সময়ে তার কন্যা সাইমা ওয়াজেদ পুতুল, পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় এবং বোন শেখ রেহানা-ও একইসঙ্গে দোষী সাব্যস্ত হন।

এসিসি গত বছর জানুয়ারি ১২ থেকে ১৪ তারিখের মধ্যে ঢাকা ইন্টিগ্রেটেড জেলা অফিস‑১-এ ছয়টি গ্যাবার মামলা দায়ের করে, যেখানে পুরবাচল নিউ টাউন প্রকল্পের প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়। অভিযোগ অনুসারে, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করে উচ্চপদস্থ রজুক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ে মোট ছয়টি প্লট, প্রত্যেকটি দশ কাঠা, সেক্টর ২৭-এর কূটনৈতিক অঞ্চলে অবৈধভাবে বরাদ্দ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, উক্ত প্লটগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ না করেও পরিবারকে বরাদ্দ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নাম উল্লেখিত ব্যক্তিরা হলেন শেখ হাসিনা, সাইমা ওয়াজেদ পুতুল, সজীব ওয়াজেদ জয়, শেখ রেহানা, রদওয়ান মুজিব সিদ্দিক (বব্বি) এবং আজমিনা সিদ্দিক।

মার্চ ২৫ তারিখে এ সিক্স চার্জ শিট মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জাজের কোর্টে দাখিল করা হয়, যেখানে শেখ হাসিনাকে সকল মামলায় সাধারণ অভিযুক্ত হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। এরপর জুলাই ৩১ তারিখে ২৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ফ্রেম করা হয়; এতে আবার শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সাইমা ওয়াজেদ পুতুল, রদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, টুলিপ সিদ্দিক এবং আজমিনা সিদ্দিকের নাম অন্তর্ভুক্ত।

রায়ের তারিখ নির্ধারণের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, এই রায় দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। রায়ের ফলাফল যদি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারকে দোষী সাব্যস্ত করে, তবে তা আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে। অন্যদিকে, রায়ে যদি দোষী সাব্যস্ত না হয়, তবে সরকারী পক্ষের জন্য একটি শক্তিশালী সমর্থন সিগন্যাল হিসেবে কাজ করতে পারে।

রায়ের দিন ২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হওয়ায়, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো ইতিমধ্যে আইনি প্রস্তুতি নিচ্ছে। আদালতের রায় প্রকাশের পর, উভয় পক্ষের আইনজীবী ও রাজনৈতিক নেতারা রায়ের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ বা আপিলের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করবেন। দেশের আইনশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার দৃষ্টিকোণ থেকে এই রায়ের ফলাফলকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments