সোশ্যাল ব্লেডের সর্বশেষ র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, ফেসবুকের ওপর তারেক রহমানের নাম বিশ্বব্যাপী শীর্ষে উঠে এসেছে। তালিকায় তিনি এমন এক অবস্থানে আছেন যেখানে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র তারকা, বহুজাতিক ব্র্যান্ড এবং বিশ্বখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের প্রাধান্য দেখা যায়। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তুলনায় তিনি বেশি কনটেন্টের ঘনত্বে অগ্রগণ্য, যেখানে ট্রাম্প ৭৬ নম্বরে অবস্থান করছেন।
সোশ্যাল ব্লেডের র্যাঙ্কিং পদ্ধতি কেবল কোনো পেজের পোস্টের সংখ্যা নয়, বরং সেই পোস্টে পাওয়া প্রতিক্রিয়া, শেয়ার, মন্তব্য এবং সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনার প্রবণতা ইত্যাদি বহু সূচককে একত্রে বিবেচনা করে। এই মানদণ্ডে তারেক রহমানের ফেসবুক পেজের কার্যকলাপ অত্যন্ত শক্তিশালী বলে নির্ধারিত হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের ফেসবুক পেজের অনুসারীর সংখ্যা সাড়ে পাঁচ মিলিয়নের কাছাকাছি, যা দেশের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে উচ্চ। তদুপরি, “আলোচনায় আছে” সূচকেও তার পেজ দীর্ঘ সময় ধরে শীর্ষে রয়েছে, যা নির্দেশ করে যে শুধু অনুসারীর সংখ্যা নয়, সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং আলোচনার মাত্রা ও উচ্চ।
সামাজিক মিডিয়ায় এ ধরনের সক্রিয়তা বাংলাদেশে রাজনৈতিক ক্ষেত্রের জন্য অস্বাভাবিক বলে বিবেচিত হয়। সাধারণত রাজনীতিবিদরা অনলাইন উপস্থিতিতে সীমিত থাকেন, তবে তারেক রহমানের কনটেন্ট উৎপাদন ও ব্যবহারকারীর সম্পৃক্ততা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে স্থান পেয়েছে।
বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, তারেকের এই র্যাঙ্কিং দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ফেসবুকের মতো বৃহৎ প্ল্যাটফর্মে এত বড় প্রভাবশালী উপস্থিতি নির্বাচনী প্রচার, নীতি ব্যাখ্যা এবং জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ভবিষ্যতে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও নেতারা এই মডেল অনুসরণ করে অনলাইন কৌশলকে শক্তিশালী করতে পারেন।
সোশ্যাল ব্লেডের তালিকায় তারেকের অবস্থান আন্তর্জাতিক নেতাদের তুলনায় উচ্চ, যা দেখায় যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ডিজিটাল প্রভাব এখন বিশ্বমঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সক্ষম। এই রূপান্তর দেশের রাজনৈতিক যোগাযোগের পদ্ধতিতে দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন আনতে পারে, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে।
সামগ্রিকভাবে, তারেক রহমানের ফেসবুক উপস্থিতি এবং কনটেন্টের পরিমাণের বিশ্লেষণ দেখায় যে তিনি সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে ব্যাপক জনসাধারণের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম। এই সাফল্য দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনী কৌশল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হয়ে উঠবে।



