27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধঢাকায় চার নারী মৃতদেহ উদ্ধার, আত্মহত্যা ও অপরাধ সন্দেহে তদন্ত চলবে

ঢাকায় চার নারী মৃতদেহ উদ্ধার, আত্মহত্যা ও অপরাধ সন্দেহে তদন্ত চলবে

রাত ১:৩০ টার দিকে শুক্রবার থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় চার নারী মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাড্ডা, মিরপুর, ডেমরা ও যাত্রাবাড়ি থানা থেকে প্রাপ্ত দেহগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।

দেহের মালিকদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে: বাড্ডা থানার আফতাবনগরের বাসিন্দা সুবর্ণা আক্তার, মিরপুর ১০ নম্বরের শিক্ষার্থী সানজিদা ইসলাম মিম, যাত্রাবাড়ি থানার কোনাপাড়া আদর্শবাগের বাসিন্দা আশা আক্তার এবং ডেমরা থানার পূর্ব বক্সনগরের বাসিন্দা কোহিনূর।

পুলিশ জানিয়েছে, চারটি ঘটনাই অপ্রাকৃতিক মৃত্যুর অন্তর্ভুক্ত এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্তের ফলাফল অনুযায়ী মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণের পরই হত্যা বা আত্মহত্যা সংক্রান্ত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, তবে কোনো হিংসা বা অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে সকল দেহের ওপর ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে।

সুবর্ণা আক্তারের পরিবার জানিয়েছে, তিনি স্বামী আজহারুল ইসলামের সঙ্গে আফতাবনগরের বাঘাপুরে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। দম্পতির মধ্যে দাম্পত্য বিবাদ চলছিল এবং বিবাদে উত্তেজনা বাড়ার সময় তিনি গলা ফাঁসের মাধ্যমে মৃত্যুবরণ করেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

পুলিশের এসআই ফাতেমা সিদ্দিকা সোমা উল্লেখ করেন, সুবর্ণার দেহ সন্ধ্যায় উদ্ধার করা হয় এবং স্বামীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। স্বামীর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিবাদে গলা ফাঁসের ঘটনা স্বীকার করেন।

মিরপুর ১০ নম্বরের শিক্ষার্থী সানজিদা ইসলাম মিমের ক্ষেত্রে, তার বড় ভাই সাখাওয়াত হোসেন জানান, মিম পারিবারিক সমস্যার কারণে আত্মহত্যা করে। মিমের বাড়ি বরগুনার চাঁদখালি এলাকায় অবস্থিত এবং তার দেহ নিজের কক্ষের সিলিং ফ্যানে ফাঁসের মাধ্যমে পাওয়া যায়।

যাত্রাবাড়ি থানার এসআই আশরাফুজ্জামান জানান, আশা আক্তারের দেহ সন্ধ্যায় তার বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আশা বিউটি পার্লারে কাজ করতেন, প্রথম বিবাহে এক সন্তান ছিলেন এবং বিচ্ছেদের পর দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে বিবাহিত হন। দেরি রাতের সময় গলা ফাঁসের মাধ্যমে তার মৃত্যু ঘটেছে বলে পরিবার দাবি করে।

আশার বড় ভাই আকাশ আহমেদ জানান, আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আশা গৃহে গলা ফাঁসের চিহ্ন পাওয়া গিয়ে দেহ উদ্ধার করা হয়।

ডেমরা থানার কোহিনূরের দেহও একই রাতে পূর্ব বক্সনগর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার বাড়ি খুলনার কয়রায় অবস্থিত এবং দেহের অবস্থান ও সময়ের ভিত্তিতে আত্মহত্যা সন্দেহ করা হচ্ছে।

পুলিশ সকল সন্দেহভাজনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে হত্যা বা আত্মহত্যা নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এই চারটি মামলায় তদন্তের অগ্রগতি এবং ময়নাতদন্তের ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে আদালতে প্রয়োজনীয় রায় দেওয়া হবে। বর্তমানে পরিবার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় তদন্ত চলমান।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments