বুলাওয়ায়ে অনুষ্ঠিত ইউথ ওয়ার্ল্ড কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে আল ফাহাদ ৯.২ ওভারে মাত্র ৩৮ রান দিয়ে পাঁচটি উইকেট নেন, ফলে ভারতের ২৩৮ রানের ইনিংস শেষ হয়। ফাহাদের এই পারফরম্যান্স তাকে অষ্টম বাংলাদেশি করে তুলেছে, যিনি এই টুর্নামেন্টে পাঁচটি শিকারের কীর্তি গড়েছেন।
ইন্ডিয়ার ওপেনার আয়ুষ মাত্রে এবং ভেদান্ত ত্রিবেদি প্রথম ওভারেই ফাহাদের হাতে পড়ে। তৃতীয় ওভারে তিনি দুজন ব্যাটসম্যানকে একসাথে আউট করে দলকে শক করেন, এরপর ম্যাচের শেষের দিকে আর তিনজনকে শটডাউন করেন। প্রথম স্পেল চার ওভারে ১২ রান খরচে দুইটি উইকেট নেয়া ফাহাদের, পাওয়ারপ্লে শেষে দ্বিতীয় স্পেল দুই ওভারে ৯ রান দিয়ে শেষ হয়।
ম্যাচের ৩৯তম ওভারে ফাহাদ অভিজ্ঞান কুন্ডুর ক্যাচ নিতে পারেননি, ফলে শটডাউন মিস হয়। একই ওভারে পা ব্যথা অনুভব করে তিনি মাঠ ত্যাগ করেন, তবে ৪৫তম ওভারে ফিরে এসে আবার বলিংয়ে ফিরে আসেন। ফিরে এসে তিনি খিলান প্যাটেলকে আউট করেন এবং পরের ওভারে আবার অভিজ্ঞানকে শটডাউন করেন, যিনি ৮০ রান করে তিনটি ছক্কা ও চারটি চারে শেষ করেন।
৪৯তম ওভারে ডিপেশ দেভেন্দ্রানকে আউট করে ফাহাদ তার পঞ্চম উইকেট নেন, ফলে ভারতের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটায়। বাংলাদেশি পেসার ইকবাল হোসেন ও অফ-স্পিনার আজিজুল হাকিম প্রত্যেকেই দুটি করে উইকেট নেন, আর অফ-স্পিনার পারভেজ একটি উইকেটের দায়িত্ব পালন করেন।
ইন্ডিয়ার মোট স্কোর ২৩৮ রানে শেষ হয়, যা বাংলাদেশি বোলারদের জন্য যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ছিল। ফাহাদের এই পারফরম্যান্সের পাশাপাশি, টুর্নামেন্টে পাঁচটি উইকেটের স্বাদ নেওয়া অন্যান্য বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে তানভিরুল ইসলাম, হান্নান সরকার, নাজমুল হোসেন, এনামুল হক জুনিয়র, আফিফ হোসেন, রাকিবুল হাসান ও মারুফ মৃধা অন্তর্ভুক্ত। হান্নান সরকারের সর্বোচ্চ বোলিং রেকর্ড ২০০০ সালে নামিবিয়ার বিপক্ষে ১৫ রান খরচে পাঁচটি শিকারের, যা এখনো টুর্নামেন্টের সেরা পারফরম্যান্স হিসেবে রয়ে গেছে।
এই জয় দিয়ে বাংলাদেশ পরবর্তী ম্যাচের জন্য আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে। দলটি এখন টুর্নামেন্টের শিডিউল অনুসারে পরবর্তী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে, যেখানে ফাহাদের বোলিং ফর্ম বজায় রাখলে আরও বড় সাফল্য অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে।



