শ্রীলঙ্কার তরুণ ব্যাটসম্যান ভিরান চামুদিথা ২০২৬ সালের আইসিসি অন্ডার‑১৯ পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ১৯২ রান সংগ্রহ করে রেকর্ড স্থাপন করেছেন। উইন্ডহোকের মাঠে রবিবার অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শ্রীলঙ্কা জাপানের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয় এবং চামুদিথার পারফরম্যান্স দলকে বিশাল সুবিধা এনে দেয়।
চামুদিথা তার ইনিংসে ২৬টি চৌকো এবং একটি ছয় মারেন, যা তার উচ্চ স্কোরের মূল চালিকাশক্তি ছিল। তিনি ১৯২ রানের সঙ্গে টিমের মোট স্কোরে বড় অবদান রাখেন, যা জাপানের জন্য চ্যালেঞ্জিং টার্গেট তৈরি করে।
এই স্কোর আইসিসি অন্ডার‑১৯ বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস হিসেবে স্বীকৃত, যা পূর্বে শ্রীলঙ্কার হাসিথ বয়াগোদা ২০১৮ সালে কেনিয়ার বিরুদ্ধে ১৯১ রান করে রেখেছিলেন। চামুদিথা এই রেকর্ডকে অতিক্রম করে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেন।
ইনিংসের শেষ পর্যায়ে চামুদিথা টিমমেট টিমোথি মুরের হাতে আউট হন। তার বের হওয়া সত্ত্বেও শ্রীলঙ্কা ইতিমধ্যে বিশাল রান সংগ্রহ করে ছিল, ফলে জাপানের ওপর চাপ বাড়ে।
চামুদিথার সঙ্গে ওপেনিং পার্টনার ডিমান্তা মাহাভিতানা ৩২৮ রনের ঐতিহাসিক স্ট্যান্ড গড়ে তোলেন, যা টুর্নামেন্টের যেকোনো উইকেটের সর্বোচ্চ অংশীদারিত্ব হিসেবে রেকর্ড হয়। উভয়ের সমন্বিত আক্রমণ শ্রীলঙ্কার স্কোরকে দ্রুত বাড়িয়ে দেয়।
এই বিশাল ওপেনিং পার্টনারশিপের ফলে শ্রীলঙ্কা জাপানের জন্য ৩৮৮ রনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে, যা টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে একটি উল্লেখযোগ্য লক্ষ্য। জাপানকে এই স্কোরের মোকাবিলা করতে হবে, আর শ্রীলঙ্কা তাদের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন‑আপ দিয়ে আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে রয়েছে।
উইন্ডহোকের এই ম্যাচে শ্রীলঙ্কার পারফরম্যান্স টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে দলকে শীর্ষে রাখার সংকেত দেয়। রেকর্ড‑ভাঙা স্কোর এবং সর্বোচ্চ অংশীদারিত্ব উভয়ই শ্রীলঙ্কার অন্ডার‑১৯ দলকে ভবিষ্যৎ ম্যাচে মানসিক সুবিধা প্রদান করবে।
টুর্নামেন্টের পরবর্তী রাউন্ডে শ্রীলঙ্কা অন্য দলগুলোর মুখোমুখি হবে, তবে চামুদিথা ও মাহাভিতানার এই ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স দলকে উচ্চ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। শ্রীলঙ্কার তরুণ খেলোয়াড়রা এখন পর্যন্ত যে রেকর্ড গড়ে তুলেছেন, তা ভবিষ্যৎ ক্রিকেটের জন্য নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।



