20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনকঙ্গনা রণাউত ‘ইমারজেন্সি’ চলচ্চিত্রের মুক্তি পর পাঞ্জাবি রাজনীতিবিদকে ‘হ্যারাসমেন্ট’ বলে সমালোচনা

কঙ্গনা রণাউত ‘ইমারজেন্সি’ চলচ্চিত্রের মুক্তি পর পাঞ্জাবি রাজনীতিবিদকে ‘হ্যারাসমেন্ট’ বলে সমালোচনা

বহু বছর পর কঙ্গনা রণাউত নিজের পরিচালনায় তৈরি ‘ইমারজেন্সি’ চলচ্চিত্রটি ১৭ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে দেশের সব থিয়েটারে প্রদর্শন শুরু করেন। ছবিতে তিনি ১৯৭৫-৭৭ সালের ভারতীয় জরুরি অবস্থার সময়ের প্রধান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ইন্দিরা গাঁধীকে অভিনয় করেছেন।

সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সিটেশন (সিবিসি) ছবিটিকে ‘সার্টিফিকেশন’ প্রদান করে, ফলে এটি আইনগতভাবে প্রদর্শনের অনুমতি পায় এবং বাণিজ্যিকভাবে মুক্তি পায়।

মুক্তির পরই পাঞ্জাবের এক রাজনীতিবিদ জনসমক্ষে ছবির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সমর্থন জানিয়ে, এটি ইতিহাসের বিকৃতিকরণ এবং নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের অনুভূতিকে আঘাত করে বলে অভিযোগ করেন।

কঙ্গনা রণাউত তৎক্ষণাৎ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে, ঐ রাজনৈতিক ব্যক্তির কাজকে ‘হ্যারাসমেন্ট’ এবং শিল্পের স্বাধীনতাকে চ্যালেঞ্জ করা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ছবিটি নথিভুক্ত ঘটনার উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং দেশের গৌরবময় অতীতের একটি অন্ধকার অধ্যায়কে আলোতে আনতে চায়।

প্রতিবাদী মন্তব্যের পর সামাজিক মাধ্যমে তীব্র আলোচনা শুরু হয়; কিছু সমর্থক ছবির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি তোলেন, অন্যদিকে অনেকেই সৃজনশীল স্বাধীনতার পক্ষে মত প্রকাশ করেন।

বড় শহরের থিয়েটারগুলোতে ছবির টিকিট বিক্রি স্থিতিশীল থাকায়, বক্স অফিসের আয় প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হয়েছে বলে নির্মাতারা জানিয়েছেন।

কিছু সামাজিক সংগঠন আদালতে আবেদন করে, ছবির প্রদর্শন বন্ধের জন্য আদেশ চায়, তবে এখনো কোনো আইনি নিষেধাজ্ঞা জারি হয়নি।

কঙ্গনা রণাউত আবারও জোর দিয়ে বলেন, তিনি কোনো চাপের মুখে না এসে ছবির বার্তা প্রচার চালিয়ে যাবেন এবং দর্শকদের সত্যিকারের ইতিহাসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবেন।

এই বিতর্কটি সংস্কৃতি বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে; তারা মন্তব্য করেন, রাজনৈতিক বর্ণনা এবং চলচ্চিত্রের মধ্যে বাড়তে থাকা টান ভবিষ্যতে সৃষ্টিকর্তাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।

সিবিসি’র অনুমোদনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে সমানভাবে সংবেদনশীল বিষয়বস্তু নিয়ে কাজ করা চলচ্চিত্রের জন্য রেফারেন্স হতে পারে।

‘ইমারজেন্সি’ কমপক্ষে চার সপ্তাহের জন্য মাল্টিপ্লেক্সে চলবে এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায় ডাবিংয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে।

দর্শকদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র; কেউ ছবির সাহসিকতা ও বর্ণনাকে প্রশংসা করেন, আবার কেউ নির্দিষ্ট দৃষ্টিকোণকে পক্ষপাতপূর্ণ বলে সমালোচনা করেন, যা বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশের প্রতিফলন।

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অভ্যন্তরে বিশেষজ্ঞরা অনুমান করছেন, এই ঘটনা ভবিষ্যতে ঐতিহাসিক বিষয়বস্তু নিয়ে নির্মাণের পদ্ধতি ও বিতরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

বিষয়টি এখনও বিকাশমান; ছবির দল ও প্রতিবাদকারী গোষ্ঠী উভয়ই আইনি ও জনমত ভিত্তিক পরবর্তী পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এই ঘটনাবলি দেশের চলচ্চিত্র ও রাজনীতির জটিল সম্পর্ককে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করার সুযোগ দিচ্ছে, যেখানে সৃজনশীল স্বাধীনতা ও ঐতিহাসিক দায়িত্বের ভারসাম্য বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Bollywood Hungama
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments