22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeস্বাস্থ্যবাঁধন শরীয়তপুর সরকারি কলেজ ইউনিটের ৮ বছর, ২,৭৭৮ ব্যাগ রক্ত সরবরাহ ও...

বাঁধন শরীয়তপুর সরকারি কলেজ ইউনিটের ৮ বছর, ২,৭৭৮ ব্যাগ রক্ত সরবরাহ ও ৩,৫৪৪ জনের রক্ত গ্রুপ নির্ণয়

শরীয়তপুর সরকারি কলেজের স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতা সংগঠন বাঁধন, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তার ৮ম বার্ষিকী উদযাপন করে। বার্ষিক সাধারণ সভা, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে গত আট বছরে সংগঠন যে সাফল্য অর্জন করেছে তা তুলে ধরা হয়।

বাঁধনের মূল স্লোগান “একজনের রক্ত অন্যের, রক্তই হোক আত্মার বাঁধন” মানবিক রক্তদানকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ইউনিট মোট ২,৭৭৮ ব্যাগ রক্ত দান করেছে এবং ৩,৫৪৪ জনের রক্তের গ্রুপ বিনামূল্যে নির্ণয় করেছে।

প্রথম বছর ২০১৮-এ ৫৫ ব্যাগ রক্ত সরবরাহের পাশাপাশি ২০ জনের রক্ত গ্রুপ নির্ণয় করা হয়। পরবর্তী বছর ২০১৯-এ রক্ত দানের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ২০৮ ব্যাগে পৌঁছায় এবং ৬৯৮ জনের রক্ত গ্রুপ নির্ণয় করা হয়। এরপরের বছরগুলোতে স্বেচ্ছাসেবী ও শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে দানের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পায়, যদিও বিশদ সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

বাঁধনের নেতৃত্বের মতে, পুরো কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমে পরিচালিত হয়। শিক্ষার্থীরা সংগঠনের মূল চালিকাশক্তি, তারা রক্তদানের ক্যাম্পে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করে এবং রক্ত গ্রুপ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহে সহায়তা করে। এই স্বেচ্ছাসেবী মডেলটি রক্তের অভাবে রোগীর জীবন রক্ষার লক্ষ্যকে শক্তিশালী করে।

সংগঠনটি স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় করে রক্তের চাহিদা মেটাতে কাজ করে। রক্তের ঘাটতি কমাতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীর ত্বরিত সেবা নিশ্চিত করতে রক্ত দানের ক্যাম্প নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হয়। এ ধরনের উদ্যোগের ফলে রোগী ও তাদের পরিবারে রক্তের অভাবে মৃত্যুর ঝুঁকি কমে যাওয়া লক্ষ্য করা যায়।

বাঁধনের কাজ স্থানীয় সমাজে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। বহু রোগী ও তাদের আত্মীয়স্বজন রক্ত দানের মাধ্যমে প্রাপ্ত সহায়তার প্রশংসা করেছেন। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও সংগঠনের প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানিয়ে প্রশংসা প্রকাশ করেছে।

এই ধরনের স্বেচ্ছাসেবী রক্তদান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সম্প্রদায়ের আরও বেশি অংশগ্রহণের প্রয়োজন। রক্তের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাতাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে রক্তের ঘাটতি দূর করা সহজ হবে। তাই, তরুণ ও বয়স্ক সবাইকে রক্ত দানের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করে, নিয়মিত দানের জন্য উৎসাহিত করা জরুরি।

বাঁধন ইউনিটের ৮ম বার্ষিকী উদযাপন কেবল একটি মাইলফলক নয়, বরং ভবিষ্যতে আরও বেশি রক্ত দানের মাধ্যমে মানবিক সেবা সম্প্রসারণের সংকল্পের সূচক। রক্তদানের মাধ্যমে জীবন রক্ষা করা সম্ভব, এবং প্রত্যেকের ছোট্ট একটি অবদান বড় পরিবর্তন আনতে পারে। আপনারা যদি রক্ত দানের মাধ্যমে এই মানবিক মিশনে যোগ দিতে চান, নিকটস্থ রক্তদানের কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে সময়সূচি জানাতে পারেন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
AI-powered স্বাস্থ্য content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments