ঢাকায় গতকাল সন্ধ্যায় সরকার পরিবর্তনের পর তীব্র প্রতিবাদে এক কলেজ শিক্ষার্থী রিয়াজের বাম বাহুতে গুলি লেগে আহত হয়। রিয়াজের বয়স তার বড় ভাইয়ের চেয়ে সাত বছর কম, এবং তিনি কলেজে পড়াশোনা করছেন। ঘটনাস্থল ছিল প্রধানমন্ত্রীর অফিসের আশেপাশের রাস্তা, যেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিবর্ষণ ও পেলেটের আঘাতের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। রিয়াজের মা তৎক্ষণাৎ তাকে নিকটস্থ জরুরি সেবায় নিয়ে যান।
প্রতিবাদকারীরা সরকার পতনের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রাসাদে প্রবেশের চেষ্টা করে, কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি কমে যায়। কিছু অংশে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে সম্ভাব্য প্রতিবাদকারীদের থামাতে চেষ্টা করে, ফলে গুলির শব্দ এবং চিৎকারের মধ্যে একাধিক আহতের ঘটনা ঘটেছে। রিয়াজের বাম বাহুতে পেলেটের আঘাতের ফলে রক্তপাত শুরু হয়, এবং তিনি সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে নেমে পড়েন।
একজন সহপাঠী রিয়াজকে দ্রুত একটি সাময়িক চিকিৎসা স্ট্যান্ডে নিয়ে যায়। সেখানে একটি তরুণ মেডিক সাদা কোট পরা ব্যক্তি অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে রক্ত পরিষ্কার করে গেজ টেপ দিয়ে ব্যান্ডেজ করে। রিয়াজের আঘাত তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও, তার মা তা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে জরুরি বিভাগে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
রিয়াজের শারীরিক গঠন তার পরিবারে সর্বোচ্চ, এবং তার দ্রুত রাগের প্রবণতা তাকে প্রতিবাদে সক্রিয় করে তুলেছে। গত কয়েক সপ্তাহের প্রতিবাদে তার অংশগ্রহণের সম্ভাবনা বেশি ছিল, এবং এই ঘটনার আগে তিনি ইতিমধ্যে কয়েকটি প্রতিবাদে উপস্থিত ছিলেন। তার আঘাতের পরেও তিনি বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে ফিরে এসে বাড়িতে পৌঁছান, তবে তার হাতে একটি দাগ রয়ে যায়।
একই সময়ে, দীর্ঘদিনের শাসন শেষ হয়ে গোপনভাবে শাসক দেশ ত্যাগ করেন, এবং জনতার মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মবগুলো প্রধানমন্ত্রীর প্রাসাদের প্রাচীর ভেঙে প্রবেশ করে, যেখানে নিরাপত্তা ও সামরিক গার্ডের উপস্থিতি অস্বাভাবিকভাবে কম দেখা যায়। এই অস্থিরতা মিডিয়ায় প্রচারিত হয়, এবং টেলিভিশনে দাঙ্গা ও লুটের দৃশ্য দেখা যায়।
রিয়াজের আঘাতের দিনটি সরকার পরিবর্তনের দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়। প্রতিবাদে উচ্ছ্বাসের মুহূর্তে তিনি ও তার বন্ধুরা রাস্তায় গিয়ে আনন্দের সঙ্গে সময় কাটায়, তবে ফিরে আসার সময় তার হাতে পেলেটের দাগ দেখা যায়। তার মা তা দেখে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা নেওয়ার গুরুত্ব জোর দেন।
মা রিয়াজকে নিকটস্থ সরকারি জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। রিকশা দিয়ে গিয়ে তারা অপেক্ষা কক্ষের প্লাস্টিকের সিটে বস



