28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাকোই কোই সাই মারমা ছয় স্বর্ণজয়, রিদয় পুনরায় সিঙ্গেলস চ্যাম্পিয়ন

কোই কোই সাই মারমা ছয় স্বর্ণজয়, রিদয় পুনরায় সিঙ্গেলস চ্যাম্পিয়ন

শহীদ তাজ উদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ৪০তম জাতীয় টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের সমাপনী অনুষ্ঠানে কোই কোই সাই মারমা ছয়টি স্বর্ণপদক নিয়ে ফিরে আসেন, যার মধ্যে নারী ও কিশোরী বিভাগে একক শিরোপা অন্তর্ভুক্ত। একই সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মুহতাসিন আহমেদ রিদয় পুরুষ একক শিরোপা পুনরায় জয় করে, যা তার তৃতীয় জাতীয় শিরোপা।

কোই কোইয়ের পারফরম্যান্সের বিশদে দেখা যায়, তিনি কিশোরী বিভাগে একক, যুগল, দল এবং মিক্সড সব শিরোপা জয় করেন, আর সিনিয়র স্তরে নারী একক ও মিক্সড শিরোপা জিতেছেন। অতিরিক্তভাবে তিনি দুইটি রৌপ্য এবং একটি ব্রোঞ্জ পদক সংগ্রহ করেন, যা আট দিনব্যাপী টুর্নামেন্টের ফলাফলকে সমৃদ্ধ করে।

বিকাশিত ক্রীড়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিকেএসপি) এই চ্যাম্পিয়নশিপে মোট ১৪টি শিরোপার মধ্যে ৯টি জয় করে সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন করে। এই সাফল্যটি বিকেএসপির প্রথম জাতীয় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের পরেই এসেছে, যা প্রশিক্ষণ ধারাবাহিকতার ফলাফল হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

কিশোরী বিভাগে কোই কোইয়ের জয়ধারার পেছনে তার ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ ও টিমের সমন্বয় কাজের বড় ভূমিকা রয়েছে। তিনি একক, যুগল, দল এবং মিক্সড সব শাখায় শীর্ষে ছিলেন, যা তার বহুমুখী দক্ষতা ও শারীরিক সহনশীলতা প্রকাশ করে।

নারী একক ফাইনালে কোই কোই পুরনো চ্যাম্পিয়ন সাদিয়া রহমান মউকে ৩-০ স্কোরে পরাজিত করেন। সাদিয়া প্রথম ও তৃতীয় সেটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও শেষ পর্যন্ত কোই কোইয়ের আক্রমণাত্মক খেলা তাকে পরাজিত করে। এই জয়টি কোই কোইকে নারী একক শিরোপা পুনরায় অর্জনে সহায়তা করে।

পুরুষ একক ফাইনালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রিদয় রাহিম লায়ন বাওমকে ৩-১ স্কোরে হারিয়ে শিরোপা পুনরায় জয় করেন। রিদয় ২০১৮ ও ২০২০ সালের শিরোপার পর এবার তৃতীয় জাতীয় শিরোপা অর্জন করেন, যা তার ধারাবাহিক উন্নতির সূচক।

কোই কোই ২০২৩ সালের টুর্নামেন্টে জ্যেষ্ঠ ও কিশোরী একক শিরোপা দুটোই লক্ষ্য করলেও শেষ পর্যন্ত কিশোরী শিরোপা ছাড়া অন্য কোনো পদক পাননি। তিনি এই অভিজ্ঞতাকে প্রশিক্ষণের গুরুত্বের প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বিকেএসপির প্রথমবারের মতো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের সাফল্যকে প্রশংসা করেন।

টুর্নামেন্টের সময়সূচি অত্যন্ত ঘন ছিল; মোট ৮৩০টি ম্যাচের মধ্যে শেষ তিন-চার দিনে খেলোয়াড়দের পাঁচ থেকে ছয়টি করে গেম খেলতে হতো। কোই কোই নিজে বলেন, শেষ দিনেও তিনি পাঁচটি ম্যাচে অংশ নিতে হয়েছিল, যা শারীরিক ও মানসিকভাবে চ্যালেঞ্জিং ছিল।

রিদয়ও একই উদ্বেগ প্রকাশ করে, ফেডারেশনকে ম্যাচের সময়সূচি আরও সুশৃঙ্খল করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যের দিক থেকে সূচি পুনর্বিবেচনা করা জরুরি।

চূড়ান্ত দিনে উপস্থিত আয়োজকগণও এই বিষয়টি তুলে ধরেন এবং প্রস্তাব করেন যে ভবিষ্যতে সিনিয়র ও কিশোরী চ্যাম্পিয়নশিপ আলাদা করে আয়োজন করা উচিত, যাতে খেলোয়াড়দের উপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে এবং জাতীয় স্তরের মান বজায় থাকে।

এই চ্যাম্পিয়নশিপের সমাপ্তি পরবর্তী টুর্নামেন্টের প্রস্তুতিতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনে দেয়, যেখানে খেলোয়াড়, কোচ এবং সংগঠন সকলেই আরও কার্যকরী সময়সূচি ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতি অনুসন্ধান করবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments