22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফুটওভার নিচে গাড়ি ধাক্কায় ২২‑বছরী যুবকের মৃত্যু

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফুটওভার নিচে গাড়ি ধাক্কায় ২২‑বছরী যুবকের মৃত্যু

১৫ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত দশটায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ সাইনবোর্ডের ফুটওভার ব্রিজের নিচে অজানা গাড়ি ধাক্কা মারার ফলে ২২ বছর বয়সী মো. ইমন মারা যান। ঘটনাস্থলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের ঢাকা গামী লেন, যেখানে গাড়ি চালকের পরিচয় এখনও অজানা।

মো. ইমন চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানা, মতলব উত্তর পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের মাওলানা মো. ইসহাক মিয়ার পুত্র। পরিবার জানায়, তিনি স্থানীয় ব্যবসা ও শিক্ষায় সক্রিয় ছিলেন এবং তার অকাল মৃত্যু পুরো সমাজকে শোকাহত করেছে।

শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. জুলহাস উদ্দিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেন। তিনি জানান, গাড়ি চালকের পরিচয় ও গতি সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং রেকর্ডেড সিসিটিভি ফুটেজ থেকে অতিরিক্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গাড়ি ধাক্কা মারার সময় গতি সীমা অতিক্রম করা সম্ভব। তবে গাড়ি চালকের নাম বা নিবন্ধন নম্বর এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। স্থানীয় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের অভাব ও অন্ধকার সময়ে গাড়ি চালানোর ঝুঁকি এই ধরনের দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

দুর্ঘটনা ঘটার পরই নিকটস্থ জরুরি সেবা দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আহতকে দ্রুত সড়ক পারাপার সেবা ও অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের সরকারি ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হওয়ায় তিনি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই প্রাণ হারান।

মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করার পর, তা ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। মর্গে মৃতদেহের পূর্ণাঙ্গ অটোপসি করা হবে, যাতে গতি, ধাক্কার কোণ এবং গাড়ির গতি সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ করা যায়।

হাসপাতালের অটোপসি ফলাফল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ তদন্তকে ত্বরান্বিত করবে। গাড়ি চালকের পরিচয় নিশ্চিত হলে, ট্রাফিক আইন অনুযায়ী গতি সীমা অতিক্রম, অজানা গাড়ি চালনা এবং অপ্রয়োজনীয় গতি বাড়ানোর জন্য কঠোর শাস্তি আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে।

আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে, হাইওয়ে ট্রাফিক আইনের ধারা ৩৪ এবং ৩৫ অনুসারে গতি সীমা অতিক্রমকারী চালকের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক মামলা দায়ের করা হবে। এছাড়া, দুর্ঘটনার ফলে সৃষ্ট ক্ষতি ও মৃত্যুর জন্য সিভিল দায়বদ্ধতাও অনুসন্ধান করা হবে।

প্রাথমিক তদন্তের পর, স্থানীয় আদালতে গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অভিযোগ দায়েরের প্রস্তাব থাকবে। আদালত প্রমাণের ভিত্তিতে শাস্তি নির্ধারণের আগে, গাড়ি চালকের উপস্থিতি, সাক্ষ্য এবং সিসিটিভি রেকর্ডের বিশ্লেষণ করা হবে।

হাইওয়ে পুলিশ ট্রাফিক নিরাপত্তা বাড়াতে অতিরিক্ত রোড সাইন, আলোকসজ্জা এবং গতি নিয়ন্ত্রণ ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। বিশেষ করে রাতের সময়ে গতি সীমা মানা এবং অজানা গাড়ি চালনার ঝুঁকি কমাতে সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি বলে তারা জোর দিয়েছে।

দুর্ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয় সমাজের শোক প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে, কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ট্রাফিক দুর্ঘটনা রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং রোড সেফটি ক্যাম্পেইন চালিয়ে যাওয়া হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments