22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিট্রাম্প মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে 'অসাধারণ নারী' বলে প্রশংসা, নোবেল শান্তি পদক উপহার...

ট্রাম্প মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে ‘অসাধারণ নারী’ বলে প্রশংসা, নোবেল শান্তি পদক উপহার দিলেন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৫ জানুয়ারি ওয়াশিংটন হোয়াইট হাউসে ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের পর তিনি নিজের সামাজিক নেটওয়ার্ক ট্রুথ সোশ্যাল-এ মাচাদোকে ‘অসাধারণ নারী’ বলে উল্লেখ করে তার রাজনৈতিক সাহসিকতাকে প্রশংসা করেন। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পেছনে মাচাদোর নোবেল শান্তি পুরস্কার পদক উপহার দেওয়ার ঘটনা রয়েছে।

সাক্ষাতের সময় মাচাদো তার ২০২৫ সালে অর্জিত নোবেল শান্তি পুরস্কার পদকটি ট্রাম্পকে উপহার দেন। ট্রাম্প এই উপহারকে পারস্পরিক সম্মানের একটি অনন্য উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং মাচাদোর দীর্ঘকালীন রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন। উপহারটি হাতে হাতে হস্তান্তর করা হয় এবং দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে বিনিময় সম্পন্ন হয়।

ট্রাম্পের পোস্টে তিনি মাচাদোকে দৃঢ়চেতা নারী হিসেবে চিহ্নিত করেন, যিনি দেশের গণতন্ত্র রক্ষার জন্য বহু বাধা অতিক্রম করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে মাচাদোর এই পদক উপহার দেওয়া মূলত ভেনেজুয়েলা শান্তি ফিরিয়ে আনতে তার নেওয়া পদক্ষেপের স্বীকৃতি হিসেবে। ট্রাম্পের ভাষ্য থেকে স্পষ্ট যে তিনি মাচাদোর রাজনৈতিক লক্ষ্যকে সমর্থন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

মাচাদো ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত হয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করেন, যা তার মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য অবদানের স্বীকৃতি ছিল। তিনি ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক সংকটের সময় আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের স্বর উঁচু করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এই পুরস্কার তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বহু বছর ধরে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন এবং জনসমক্ষে এ বিষয়ে কথা বলেছেন। গত বছর মাচাদো যখন এই সম্মান পেয়েছিলেন, তখন ট্রাম্প কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করলেও মাচাদো পরে জানান যে তিনি এই সম্মান ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান। এ ঘটনা দুই নেতার মধ্যে একটি অনন্য সম্পর্কের সূচনা করে।

নোবেল কমিটি একবার পুরস্কার ঘোষিত হলে তা বাতিল, ভাগ বা অন্যের কাছে হস্তান্তর করা যায় না বলে স্পষ্ট নিয়ম রয়েছে। পদকটি শারীরিকভাবে উপহার দেওয়া সম্ভব হলেও, বিজয়ীর অফিসিয়াল উপাধি ও রেকর্ডে পরিবর্তন করা যায় না। এই নিয়মের ভিত্তিতে মাচাদোর নামই নোবেল শান্তি পুরস্কারের আনুষ্ঠানিক রেকর্ডে থাকবে।

অর্থাৎ, ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে পদকটি গ্রহণ করলেও নোবেল পুরস্কারের আইনি মালিকানা ও ঐতিহাসিক রেকর্ডে মাচাদোই বিজয়ী হিসেবে স্বীকৃত থাকবেন। পদকের শারীরিক হস্তান্তর কেবল একটি প্রতীকী ইঙ্গিত, যা দুজনের মধ্যে পারস্পরিক সম্মানকে প্রকাশ করে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন যে এই সাক্ষাৎ ভেনেজুয়েলার বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। মাচাদোর সঙ্গে ট্রাম্পের সংলাপ ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্র পুনর্গঠনের জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে, ট্রাম্পের এই প্রশংসা তার নিজস্ব বিদেশ নীতির একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাক্ষাৎ শেষে মাচাদো হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে যান এবং তার পরবর্তী রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যান। ট্রাম্পের সামাজিক নেটওয়ার্কে প্রকাশিত মন্তব্য ও পদক উপহার উভয়ই ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন দৃষ্টিকোণ যোগ করেছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments