28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতি১১ পার্টির জোটের সিট ভাগের তালিকা প্রকাশ, জামাতকে ১৭৯ সিট, আইএবি এখনও...

১১ পার্টির জোটের সিট ভাগের তালিকা প্রকাশ, জামাতকে ১৭৯ সিট, আইএবি এখনও অনুপস্থিত

ঢাকার কাঙ্করাইলে অবস্থিত ইনস্টিটিউশন অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে গতকাল সন্ধ্যা ৮:৪০ টায় ১১ পার্টির জোটের একত্রিত প্রেস কনফারেন্সে সিট ভাগের চূড়ান্ত তালিকা জানানো হয়। জামাত‑ই‑ইসলামি নেতৃত্বাধীন জোটের নায়েব‑এমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের উপস্থিত ছিলেন এবং জামাতের আমীর শফিকুর রহমানসহ অন্যান্য জোটের শীর্ষ নেতা সমাবেশে অংশ নেন।

প্রেস কনফারেন্সে ইস্লামি আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি) এর আমীর ও চরমনায়িক পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিমের জন্য একটি চেয়ার সংরক্ষিত ছিল, তবে উভয়ই উপস্থিত না হয়ে কোনো প্রতিনিধি পাঠায়নি। এই অনুপস্থিতি জোটের ভিতরে আইএবি ও জামাতের মধ্যে সিট ভাগ নিয়ে মতবিরোধের ইঙ্গিত দেয়।

প্রকাশিত তালিকায় জামাতকে মোট ১৭৯টি আসন বরাদ্দ করা হয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টিকে ৩০টি, বাংলাদেশ খিলাফত অ্যান্ডোলনকে ২০টি, খিলাফত অ্যান্ডোলনকে অতিরিক্ত ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিকে ৭টি, অমর বাংলাদেশ পার্টিকে ৩টি, বাংলাদেশ নেজাম‑ই‑ইসলাম পার্টি ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টিকে প্রত্যেককে ২টি করে আসন দেওয়া হয়েছে।

মোট ২৫৩টি আসনের জন্য একক প্রার্থী নির্ধারণের কাজ চলমান, তবে কোন প্রার্থী কোন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে কোনো তালিকা সরবরাহ করা হয়নি।

বাংলাদেশ খিলাফত অ্যান্ডোলনের আমীর মামুনুল হক এক বাক্যে জোটের ‘ওয়ান‑বক্স’ নীতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, একবার প্রার্থী নির্ধারিত হলে সব দল, কর্মী ও জনগণ ঐ প্রার্থীর পক্ষে একসঙ্গে কাজ করবে।

ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির কনভেনার নাহিদ ইসলামও জোটের লক্ষ্য সম্পর্কে মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, সংস্কার, স্বাধীনতা এবং দুর্নীতি-মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন দল একত্রিত হয়েছে এবং সমষ্টিগতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সিট ভাগের চূড়ান্ত সমঝোতা জানুয়ারি ২০ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, যা নামমাত্র প্রার্থীর নাম প্রত্যাহারের শেষ তারিখ। এই সময়সীমা পার হয়ে গেলে জোটের মধ্যে কোনো পরিবর্তন করা যাবে না।

আইএবি এখনও চূড়ান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর না করলে জোটের একতাবদ্ধতা ও ভোটারদের সমর্থনে প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে নির্বাচনের পূর্বে সিট ভাগের অমিল ভোটারদের বিভ্রান্তি বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং জোটের সামগ্রিক পারফরম্যান্সকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

পরবর্তী দিনগুলোতে আইএবি ও জামাতের মধ্যে আলোচনার ফলাফল এবং নির্দিষ্ট প্রার্থীর নাম প্রকাশের অপেক্ষা থাকবে। এই বিষয়গুলো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জোটের ঐক্যের সূচক হিসেবে গণ্য হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments