27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধদর্শনা থানার দল গৃহবধূ ও যুবককে নির্যাতন থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়

দর্শনা থানার দল গৃহবধূ ও যুবককে নির্যাতন থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়

দর্শনা থানা, নারায়ণগঞ্জে গৃহবধূ ও এক যুবককে চুল কেটে গাছে বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগে দুইজনকে পুলিশ উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। ঘটনাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের জানার পর দ্রুত তদন্তের সূচনা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, অপরাধের দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পীড়িতদের মধ্যে গৃহবধূ এবং তার সঙ্গে যুক্ত এক যুবক ছিলেন; উভয়কে শারীরিক আঘাতের পাশাপাশি চুল কেটে গাছের ডালায় বাঁধা হয়। নির্যাতনের সময় তাদের মৌখিক অপমান ও হুমকির মুখোমুখি করা হয়। ঘটনাস্থলে পাওয়া শারীরিক চিহ্নগুলো থেকে প্রমাণিত হয় যে, শিকারের ওপর দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন চালানো হয়েছিল। এই ধরনের হিংসা স্থানীয় সমাজে শক সৃষ্টি করেছে।

পাড়া বাসিন্দা এক রাতে অস্বাভাবিক শব্দ শোনার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পীড়িতদের অবস্থান জানে। তৎক্ষণাৎ তারা স্থানীয় পুলিশকে জানায়, ফলে দর্শনা থানার দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাছ থেকে শিকারের দেহ মুক্ত করে। উদ্ধারকৃত গৃহবধূ ও যুবককে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসা শেষে তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও মানসিক আঘাতের সম্ভাবনা বিবেচনা করে বিশেষ মনোবিদের পরামর্শ নেওয়া হয়।

দর্শনা থানার দল শিকারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পর তাদের হেফাজতে নেয়। হেফাজতে নেওয়ার সময় শিকারের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকা সত্ত্বেও, মানসিক আঘাতের সম্ভাবনা বিবেচনা করে মনোবিদের পরামর্শ নেওয়া হয়। তদন্তের জন্য স্থানীয় গৃহস্থালির তথ্য ও প্রতিবেশীর বিবৃতি সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া, ঘটনাস্থলের সিআইডি রেকর্ড এবং মোবাইল ডেটা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

দর্শনা থানার ওসি মেহেদি হাসান স্ট্রিমের মতে, “কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আইন নিজের হাতে নেওয়ার অধিকার নেই। অপরাধের বিচার দেশের প্রচলিত আইন ও আদালতের মাধ্যমে হবে। এ বিষয়ে পুলিশ কাজ করছে”। তিনি জানান, অপরাধের প্রকৃতি ও শিকারের বিবরণ অনুসারে মামলাটি বিশেষ তদন্ত ইউনিটে পাঠানো হয়েছে এবং শিকারের বিরুদ্ধে গৃহীত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উবায়দুর রহমান সাহেলও মন্তব্য করে, “সামাজিকভাবে কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে মারধর বা অপমান করা দণ্ডনীয় অপরাধ। ভুক্তভোগীরা চাইলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবেন”। তিনি শিকারের অধিকার রক্ষার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা নিশ্চিত করেছেন এবং শিকারের দ্রুত আরোগ্য কামনা প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশের দণ্ডসংহিতা অনুযায়ী, শারীরিক নির্যাতন, মানসিক হেনস্থা এবং শিকারের মর্যাদা হ্রাসের জন্য কঠোর শাস্তি নির্ধারিত আছে। এই মামলায় অপরাধের মাত্রা, শিকারের বয়স ও লিঙ্গ বিবেচনা করে আদালত থেকে কঠোর দণ্ডের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বর্তমানে তদন্তের ফলাফল ভিত্তিক অভিযোগপত্র প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং শিকারের বিরুদ্ধে গৃহীত অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে দায়ের করা হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতনের পেছনে গোষ্ঠীগত পরিকল্পনা বা ব্যক্তিগত বিরোধের কোনো স্পষ্ট সূত্র পাওয়া যায়নি, তবে সব দ

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments