23 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাএলপিজি আমদানি সীমা শিথিল করা কোনো বাধা নয়, বিইআরসি চেয়ারম্যানের মন্তব্য

এলপিজি আমদানি সীমা শিথিল করা কোনো বাধা নয়, বিইআরসি চেয়ারম্যানের মন্তব্য

গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তেল গ্যাস শিল্পের প্রতিনিধিরা এলপিজি (লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস) আমদানি সীমা ও বাজারের অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা করেন। লোয়াব (এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক সরকারের সীমা বাড়ানোর অনুরোধের উত্তর না পাওয়াকে মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলছেন, সীমা না বাড়লে সরবরাহের ঘাটতি ও দামের উত্থান অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এই উদ্বেগের জবাবে জানান, সীমা অতিক্রম করে অতিরিক্ত এলপিজি আমদানি ইতিমধ্যে ঘটেছে এবং সীমা শিথিল করা কোনো বাধা নয়। তিনি জোর দিয়ে বলছেন, বর্তমান সীমা বাজারের চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়, তবে তা বাড়ালে সরবরাহের চাপ কমে যাবে।

আহমেদ চেয়ারম্যান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাবও তুলে ধরেন। ইরানের মধ্যপ্রাচ্যীয় অস্থিরতা, চীনের ক্রমবর্ধমান ক্রয় এবং নভেম্বর-ডিসেম্বরে বহু জাহাজের কালো তালিকাভুক্তি আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এসব কারণের সমন্বয়ে দেশীয় এলপিজি সরবরাহে বাধা সৃষ্টি হয়েছে।

এই আলোচনাটি এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিনের সহযোগিতায় ‘এলপিজি বাজারে খাতের রেগুলেটরি চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গোলটেবিলের আয়োজনের অংশ ছিল। বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্নের মধ্যে একটি ছিল নির্ধারিত ১,৩০৫ টাকার সিলিন্ডার দামের তুলনায় বাজারে ২,৫০০-২,৬০০ টাকায় বিক্রি হওয়া।

প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে লোয়াবের সভাপতি উল্লেখ করেন, আইগ্যাস, মেঘনা গ্রুপ, ডেল্টা, ওমেরা এবং যমুনা সহ পাঁচটি কোম্পানির জন্য আমদানি সীমা বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছিল। তবে নভেম্বর মাসে জ্বালানি মন্ত্রণালয় একটি চিঠি জারি করে জানায়, বর্তমান নীতিমালায় এই ধরনের বৃদ্ধি অনুমোদিত নয়, ফলে কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত এলপিজি আনতে পারছে না।

দাম নির্ধারণের দায়িত্ব নিয়ে লোয়াব স্পষ্ট করেন, তারা কোনো মূল্য নির্ধারণ করে না; তা বিইআরসি নির্ধারণ করে। তিনি বলেন, বাজারে উচ্চমূল্য বিক্রি করা কোনো সংস্থা অনুমোদিত নয় এবং লোয়াবের কোনো লাভের উদ্দেশ্য নেই। তাই দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক তত্ত্বাবধানের ঘাটতি নয়, বরং সরবরাহের সীমাবদ্ধতা থেকে উদ্ভূত।

বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ সীমা সংক্রান্ত বিষয়টি পুনরায় বিশ্লেষণ করে বলেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে আবেদনগুলি পেন্ডিং থাকায় জ্বালানি বিভাগ নীতিমালার অভাবে সেগুলো নামঞ্জুর করেছে। তিনি জোর দিয়ে জানান, সীমা নিজে কোনো সমস্যা নয়, বরং নীতিমালার স্পষ্টতা ও বাস্তবায়নের অভাবই মূল বাধা।

আহমেদ আরও তথ্য দিয়ে বলেন, ইউনাইটেড আইগ্যাসের আমদানি সীমা এক লাখ টন হলে, সংশ্লিষ্ট কোম্পানি সেই পরিমাণে সরবরাহ পেতে পারত।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments