22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলা১.এফসি কোলন বায়ার্নের বিরুদ্ধে হোঁচট খেয়েছে, তবে জয়ী হওয়ার আশা এখনও আছে

১.এফসি কোলন বায়ার্নের বিরুদ্ধে হোঁচট খেয়েছে, তবে জয়ী হওয়ার আশা এখনও আছে

রাইনএনার্জি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে ১.এফসি কোলনের ম্যাচে হোস্ট দলটি শেষ মুহূর্তে এক গোলের পার্থক্যে পরাজিত হয়েছে। প্রথমার্ধে পায়রোটেকনিকের ধোঁয়া ময়লা হয়ে ১১ মিনিটের অতিরিক্ত সময় যোগ করা হয়, যা খেলার গতি ও ট্যাকটিক্সে প্রভাব ফেলেছিল।

কোলন এই পরাজয়কে ঘিরে ইতিবাচক দিকও দেখেছে; যদিও দলটি শেষ ৭টি ম্যাচে জয় অর্জন করতে পারেনি, তবে তারা বায়ার্নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। পূর্বে অক্টোবর মাসে ডিএফবি পোকালে কোলন প্রথমার্ধে রাগনার আহে’র গোলের মাধ্যমে লিড নিয়েছিল, তবে শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরে হেরে গিয়েছিল।

এই সপ্তাহে কোলনের দলটি হেইডেনহাইমের সঙ্গে ড্রের পর একটি তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি হয়। উলফ হর্ডে আল্ট্রা গ্রুপের তৈরি “Kwasni Yok” ব্যানারটি কোচ লুকাস কোয়াসনিয়ককে লক্ষ্য করে তোলা হয়; “yok” শব্দটি তুর্কিতে “না” অর্থে ব্যবহৃত হয়। ব্যানারটি কোচের অফ-ফিল্ড আচরণ ও দলের ফলাফলের অবনতি নিয়ে সমালোচনা প্রকাশ করে। কোচ কোয়াসনিয়ক এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে এবং বলেন যে তিনি খেলোয়াড়দের কোনো ভক্ত ইভেন্টে অংশ নেওয়া থেকে বাধা দেননি।

ক্লাবের স্পোর্টিং ডিরেক্টর থমাস কেসলার বর্তমানে কোচ, উলফ হর্ডে সমর্থক এবং দুজন অসন্তোষজনক খেলোয়াড় লুকা ওল্ডশমিট এবং ফ্লোরিয়ান কাইনজের মধ্যে সম্পর্ক সমন্বয় করার কাজ করছেন। দলের অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেসলারকে এই ত্রিপক্ষীয় সমস্যার সমাধান করতে হচ্ছে, যাতে দলটি মাঠে মনোযোগী থাকতে পারে।

কোচ কোয়াসনিয়ক ম্যাচের আগে বায়ার্নকে বিরক্ত করার আশাবাদ প্রকাশ করেন, যদিও তিনি স্বীকার করেন যে জয় নিশ্চিত করা কঠিন। তার মন্তব্যে তিনি দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চান, তবে বাস্তবিক প্রত্যাশা সীমিত রাখেন।

প্রায় এক সপ্তাহ আগে, ২০ বছর বয়সী জাহমাই সিম্পসন-পুসি ম্যানচেস্টার সিটির একাডেমি থেকে লোনে কোলনে যোগ দেন। তিনি গত মৌসুমে সেল্টিকে ছেড়ে অসন্তোষজনক পারফরম্যান্সের পর কোলনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যেখানে ক্রয় বিকল্পও অন্তর্ভুক্ত। সিম্পসন-পুসি পূর্বে প্রিমিয়ার লিগ ২-এ সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছিলেন।

কোলনের ডিফেন্সিভ লাইন ইনজুরির কারণে তাকে সরাসরি প্রথম দলেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তার ঘরে প্রথম ম্যাচে বায়ার্নের শক্তিশালী আক্রমণকে মোকাবেলা করতে হয়, যা তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

ম্যাচের পরিসংখ্যান দেখায় যে বায়ার্নের আক্রমণাত্মক চাপের পরেও কোলন বেশিরভাগ সময় রক্ষণাত্মকভাবে স্থিতিশীল ছিল। তবে শেষের মুহূর্তে বায়ার্নের একটি দ্রুত পাল্টা আক্রমণই পার্থক্য তৈরি করে।

কোলনের বর্তমান অবস্থানকে বিবেচনা করলে, দলটি শীঘ্রই লিগে পুনরায় জয় অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে হবে। কোচের কৌশলগত পরিবর্তন ও খেলোয়াড়দের মানসিক প্রস্তুতি এই মুহূর্তে মূল বিষয়।

আসন্ন সপ্তাহে কোলন আবার বায়ার্নের সঙ্গে মুখোমুখি হবে, যা দলটির জন্য পুনরুদ্ধার ও আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর সুযোগ হতে পারে। তবে বর্তমান জয়হীন সিরিজের ধারাবাহিকতা ভাঙা এখনো চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

ক্লাবের ব্যবস্থাপনা ও সমর্থক গোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে, কোচের পরিকল্পনা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হলে কোলন এই কঠিন সময় অতিক্রম করতে পারে। শেষ পর্যন্ত, মাঠে ফলাফলই সবকিছু নির্ধারণ করবে।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments