এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ১১টি দলের সমন্বয়ে গঠিত জোটকে, যদিও আসন ভাগের ভিত্তিতে গঠিত, তবু দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ভোটাররা এই জোটের প্রাসঙ্গিকতা স্বীকার করে এবং নির্বাচনী প্রতিযোগিতা তীব্র হবে বলে প্রত্যাশা করা যায়।
নাহিদের মতে, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গণতন্ত্রের উন্নতি সম্ভব হবে এবং এটাই তাদের মূল লক্ষ্য।
সংঘটনের দ্রুত গতি কিছু মতবিরোধের সৃষ্টি করেছে, তবে তিনি আশাবাদী যে এই বিরোধগুলো শীঘ্রই সমাধান হবে।
তিনি জোটকে অটুট রাখার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করবেন এবং কোনো সদস্যের মতানৈক্য থাকলেও সমন্বয় বজায় থাকবে বলে নিশ্চিত করেন।
আহ্বায়ক স্পষ্ট করে বলেন, কোনো দলীয় প্রার্থী থাকবে না; জোটেরই ৩০০টি আসনের জন্য প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে।
সকল সদস্যকে একে অপরের সঙ্গে সহযোগিতা করতে এবং সমন্বিতভাবে কাজ করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই জোটে অন্তর্ভুক্ত ১১টি দল একসাথে আসন ভাগের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা নির্বাচনী কৌশলকে একত্রিত করে।
চুক্তিটি নির্বাচনের সময়সূচি প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, ফলে কিছু প্রাথমিক অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে।
উদ্দেশ্য হল প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় একক প্রার্থী তালিকা উপস্থাপন করা, যাতে ভোটের বিভাজন রোধ করা যায়।
এটি বিরোধী শক্তির মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে ভোটারদের সমর্থন একত্রিত করার একটি কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নাহিদ ইসলাম জোটের শক্তি তার সদস্যদের সমগ্র দেশে সমর্থন গড়ে তোলার সক্ষমতায় নিহিত বলে উল্লেখ করেন।
তিনি জোটকে এমন বিষয়বস্তুতে মনোযোগ দিতে বলছেন যা সাধারণ মানুষের চাহিদা ও উদ্বেগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ যদি সময়মতো সমাধান না হয়, তবে তা জোটের কার্যকারিতা ক্ষুণ্ণ করতে পারে, এ বিষয়ে তিনি সতর্কতা প্রকাশ করেন।
বৈরাট সমাধানের জন্য জোটের মধ্যে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ও মেকানিজম স্থাপন করা হয়েছে, যা নাহিদের মতে বিরোধের দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করবে।
সমস্ত সদস্যকে সমষ্টিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে সম্মান করতে এবং একে অপরের মতামতকে গুরুত্ব দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই জোটের গঠন ঘটেছে যখন সরকার পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, ফলে রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন গতিবিধি দেখা দিচ্ছে।
বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ঐক্যবদ্ধ বিরোধী জোট নির্বাচনী গতিপথে প্রভাব ফেলতে পারে, তবে এটি এখনো বাস্তবায়িত হওয়ার অপেক্ষায়।
জোটের পরবর্তী ধাপ হিসেবে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা এবং যৌথ প্রচারণা চালু করা পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সমন্বয় সভা ও পর্যবেক্ষণ মিটিংয়ের মাধ্যমে জোটের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে মূল্যায়ন করা হবে।
নাহিদ ইসলাম শেষ করে বলেন, জোটের ঐক্য বজায় রাখা এবং সমন্বিতভাবে কাজ করা নির্বাচনী সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।



