27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাবিপিএল প্রথম ম্যাচে দল না পৌঁছায়, খেলায় দেরি ও বয়কটের হুমকি

বিপিএল প্রথম ম্যাচে দল না পৌঁছায়, খেলায় দেরি ও বয়কটের হুমকি

বুধবার সন্ধ্যায় শের-এ-বাংলা ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের প্রথম বিপিএল ম্যাচটি দেরি হয়ে যায়। দল দুটোই নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হওয়ায় টস ও খেলা উভয়ই স্থগিত করা হয়। এই ঘটনা দেশের শীর্ষ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ঢাকা পর্যায়ের সূচনাকে প্রভাবিত করে।

ম্যাচটি দুপুর ১ টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল, আর টসের সময় নির্ধারিত ছিল দুপুর ১২:৩০। স্টেডিয়ামের প্রস্তুতি সম্পন্ন থাকলেও কোনো দল মাঠে না পৌঁছায়। ফলে ম্যাচের সময়সূচি ভেঙে যায় এবং দর্শকদের প্রত্যাশা নষ্ট হয়।

খেলোয়াড়দের দলে বয়কটের হুমকি উঠে আসে, কারণ তারা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে পদত্যাগের দাবি জানায়। খেলোয়াড়দের এই দাবি তাদের অধিকার রক্ষার জন্য নেওয়া পদক্ষেপ হিসেবে প্রকাশ পায়।

ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সিডব্লিউএবি) বৃহস্পতিবার রাতে একটি প্রেস কনফারেন্সে একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে। তারা স্পষ্ট করে জানায় যে, নাজমুলের পদত্যাগ না হলে সব ধরনের ক্রিকেটে অংশগ্রহণ বন্ধ রাখবে।

সিডব্লিউএবির এই কঠোর অবস্থান আজকের নির্ধারিত বিপিএল ম্যাচগুলোকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। তারা উল্লেখ করে, নাজমুলের পদত্যাগ না হলে খেলোয়াড়রা কোনো ক্রিকেট কার্যক্রমে অংশ নেবে না। এই হুমকি পুরো টুর্নামেন্টের ধারাবাহিকতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

বহির্ভূত বিতর্কের মূল কারণ নাজমুলের বুধবার সন্ধ্যায় মিরপুরে করা মন্তব্য। তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশ যদি ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপে না যায়, তবে বোর্ডের কোনো আর্থিক ক্ষতি হবে না।

নাজমুলের বক্তব্যে তিনি আরও যোগ করেন, এমন পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের আর্থিক ক্ষতি হবে। এই মন্তব্যের ফলে খেলোয়াড়দের মধ্যে অসন্তোষের সঞ্চার ঘটে।

খেলোয়াড়দের মধ্যে এই মন্তব্যের প্রতি তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, যা বয়কটের দাবি বাড়িয়ে দেয়। তারা বোর্ডের সিদ্ধান্তকে তাদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে।

দুপুরের আগে ঢাকা ক্রিকেট লিগের ম্যাচগুলোও একই কারণে অনুষ্ঠিত হয়নি। লিগের দলগুলো স্টেডিয়ামে না এসে খেলা বাতিল হয়। ফলে স্থানীয় ক্রিকেটের ধারাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উভয়ই, বিপিএল ও ঢাকা লিগের ম্যাচগুলোই দেরি বা বাতিলের মুখে পড়ে, যা ভক্ত ও স্পনসরদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করে। স্টেডিয়ামের ভেতরে শূন্যতা দেখা যায়।

স্টেডিয়ামের গেটের সামনে নিরাপত্তা কর্মীরা অপেক্ষা করলেও কোনো দল প্রবেশ করে না। মাঠের আলো জ্বলে থাকে, তবে খেলোয়াড়ের উপস্থিতি অনুপস্থিত থাকে।

বিপিএল আয়োজকরা এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেনি, তবে ম্যাচের পুনরায় নির্ধারণের সম্ভাবনা উন্মুক্ত রয়েছে। টুর্নামেন্টের পরবর্তী সূচি অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে।

এই পরিস্থিতি দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। খেলোয়াড়, বোর্ড ও সমর্থকদের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।

অবশেষে, আজকের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সকল পক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি ও সমাধান খোঁজা হবে, যাতে টুর্নামেন্টের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা যায়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments