19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধউত্তর মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অপারেশনের সময় এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ

উত্তর মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অপারেশনের সময় এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ

বুধবার রাতের দিকে উত্তর মিনিয়াপোলিসের একটি পাড়া থেকে জানা যায়, ফেডারেল ইমিগ্রেশন আইন প্রয়োগের সময় এক ব্যক্তি পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থলে গাড়ি তাড়া চলাকালীন গুলির শব্দ শোনা যায় এবং পরে একাধিক গুলি শুট করা হয়। গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির অবস্থা গুরুতর, তবে তার নাম ও পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

স্থানীয় সূত্রের মতে, গাড়ি তাড়া চলাকালীন ফেডারেল এজেন্টদের সঙ্গে সংঘর্ষে গুলি চালানো হয়। চোখে দেখা সাক্ষীরা জানান, গুলি শুটের পর গাড়ি থেমে যায় এবং গুলিবিদ্ধ ব্যক্তি তৎক্ষণাৎ আহত অবস্থায় গৃহস্থালির কাছাকাছি পড়ে। আহত ব্যক্তিকে দ্রুতই জরুরি সেবা দল স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়।

মিনিয়াপোলিস শহরের অফিসিয়াল টুইটার (X) পৃষ্ঠায় পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, শহরটি উত্তর মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত গুলির রিপোর্ট সম্পর্কে সচেতন। তবে ঘটনাটির সম্পর্কে কোনো পুলিশ বা ফেডারেল সংস্থার আনুষ্ঠানিক মন্তব্য তৎক্ষণাৎ প্রকাশিত হয়নি।

এই গুলিবিদ্ধের ঘটনা এক সপ্তাহের মধ্যে ঘটে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) এজেন্ট একটি বড় ডিপোর্টেশন অপারেশনের সময় ৩৭ বছর বয়সী রেনি গুডকে গাড়ি চালানোর সময় গুলি করে হত্যা করেন। রেনি গুডের মৃত্যু শহরে এবং দেশের বিভিন্ন অংশে প্রতিবাদকে উস্কে দেয়।

রেনি গুডের হত্যার পর থেকে মিনিয়াপোলিসে স্বেচ্ছাসেবী পাড়া প্যাট্রোল নেটওয়ার্ক সক্রিয়ভাবে ICE কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে আসছে। এই নেটওয়ার্কের সদস্যদের লক্ষ্য ছিল ফেডারেল এজেন্টদের কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

গুলিবিদ্ধ ঘটনার পর, যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (DHS), যা ICE-কে তত্ত্বাবধান করে, রিকোয়েস্টের জবাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তাই এই ঘটনার পেছনের সঠিক কারণ ও দায়িত্বের বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয়।

ইতিমধ্যে বুধবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ঘোষণাও প্রকাশ পায়, যেখানে তিনি জানিয়েছেন যে যেসব রাজ্য বা শহর স্যাংচুয়ারি নীতি গ্রহণ করে এবং ফেডারেল ইমিগ্রেশন প্রয়োগে স্থানীয় পুলিশকে সহযোগিতা করতে বাধা দেয়, তাদের পরবর্তী মাসে ফেডারেল তহবিল কেটে দেওয়া হবে। এই নীতি মিনিয়াপোলিসের মতো স্যাংচুয়ারি শহরের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।

স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি এখন গুলিবিদ্ধের তদন্তে জড়িত। গুলি চালানোর সময়ের ভিডিও রেকর্ডিং, গাড়ি তাড়া সংক্রান্ত ট্রাফিক ক্যামেরা ফুটেজ এবং গুলির ক্যালিবার বিশ্লেষণ করা হবে। এছাড়া, ফেডারেল এজেন্টদের উপস্থিতি ও তাদের কাজের পদ্ধতি সম্পর্কেও তদন্ত চালু হয়েছে।

আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে, গুলিবিদ্ধের ক্ষেত্রে গুলি চালানোর অনুমোদন, স্ব-রক্ষা বা অতিরিক্ত বল প্রয়োগের ন্যায়সঙ্গতা ইত্যাদি প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে। যদি গুলি চালানো অবৈধ প্রমাণিত হয়, তবে সংশ্লিষ্ট ফেডারেল কর্মী বা সংস্থার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হতে পারে।

অধিকন্তু, গুলিবিদ্ধের শিকার ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে জড়িত না থাকেন, তবে তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শারীরিক ক্ষতি করা ফেডারেল নীতি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের ক্ষেত্রে ফেডারেল সরকারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং দায়িত্বশীল কর্মীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিবাদী গোষ্ঠী ও মানবাধিকার সংস্থাগুলি ইতিমধ্যে গুলিবিদ্ধের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং ফেডারেল অপারেশনের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা দাবি করছে। তারা উল্লেখ করেছে, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া রেনি গুডের হত্যার পর থেকে ফেডারেল এজেন্টদের কার্যক্রমে জনসাধারণের আস্থা হ্রাস পেয়েছে।

এই ঘটনার পর, মিনিয়াপোলিসের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং ফেডারেল সংস্থাগুলি একত্রে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জনসাধারণকে আপডেট করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তদন্তের ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নীতি ও প্রয়োগ পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments