27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাবাংলাদেশ দল নিরাপত্তা উদ্বেগে ভারত সফর বাতিল, শারফুদ্দৌলা আইসিসি এলিট প্যানেল থেকে...

বাংলাদেশ দল নিরাপত্তা উদ্বেগে ভারত সফর বাতিল, শারফুদ্দৌলা আইসিসি এলিট প্যানেল থেকে আম্পায়ারিং করছেন

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে ভারতের সফর রদ করেছে। একই সময়ে, আইসিসি এলিট প্যানেল থেকে নির্বাচিত শারফুদ্দৌলা ভারতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ম্যাচে আম্পায়ারিং করছেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজে আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারি নিযুক্তি আইসিসি নির্ধারণ করে। নিয়োগের সময় দেশীয় স্বার্থের প্রভাব না থাকা, কাজের পারফরম্যান্স, একই দলের সঙ্গে পুনরাবৃত্তি না করা এবং কাজের চাপের সমতা বজায় রাখা ইত্যাদি মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়। এই নীতিগুলো নিশ্চিত করে যে প্রতিটি ম্যাচে নিরপেক্ষতা ও গুণগত মান বজায় থাকে।

প্রাথমিকভাবে হোস্ট দেশের বোর্ডই আম্পায়ার বাছাই করত। ১৯৯৩ সালে আইসিসি প্রথমবারের মতো টেস্ট ম্যাচে দুইজন নিরপেক্ষ আম্পায়ার নিয়োগের ব্যবস্থা চালু করে এবং পরবর্তীতে ওডিআই ও টি২০ ফরম্যাটে এই পদ্ধতি বিস্তৃত হয়। ২০০২ সালে আইসিসি এলিট প্যানেল গঠন করে, যার মাধ্যমে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সের আম্পায়ারদের আন্তর্জাতিক সিরিজ ও টুর্নামেন্টে নিয়োগ করা হয়। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে এই প্যানেল থেকে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ ও আইসিসি টুর্নামেন্টের জন্য আম্পায়ার নির্বাচন করা হয়েছে। তবে এলিট প্যানেলের সীমিত সংখ্যার কারণে বড় টুর্নামেন্টে আন্তর্জাতিক প্যানেল থেকে অতিরিক্ত আম্পায়ার নেওয়া হয়।

শারফুদ্দৌলা, যিনি আইসিসি এলিট প্যানেলের সদস্য, সম্প্রতি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আয়োজিত টুর্নামেন্টে আম্পায়ারিং করেছেন। তবে আন্তর্জাতিক ম্যাচে তার নিযুক্তি সম্পূর্ণভাবে আইসিসি নিয়মের অধীনে। বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন, শারফুদ্দৌলা আইসিসি চুক্তিবদ্ধ আম্পায়ার এবং তার সঙ্গে কোনো সরাসরি চুক্তি নেই। তাই তার আইসিসি দায়িত্ব থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তিনি বিসিবির তালিকা থেকে অবমুক্ত হন এবং কোনো অনুমোদন প্রক্রিয়া প্রয়োজন হয় না।

শারফুদ্দৌলার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের ফলে একটি ম্যাচে দুইজন ভারতীয় ব্যাটসম্যান নট আউট রয়ে গেছেন। একই সময়ে তিনি ইংরেজি পেসারকে তার বলের লাইন ও দৈর্ঘ্য পরিবর্তন করতে নির্দেশ দেন। এই সিদ্ধান্তগুলো ম্যাচের প্রবাহে প্রভাব ফেলেছে এবং উভয় দলের কৌশলগত পরিকল্পনায় পরিবর্তন এনেছে।

শারফুদ্দৌলা আইসিসি এলিট প্যানেলের সদস্য হওয়ায় তার পারিশ্রমিক ও ভ্রমণ ব্যয় প্রায় চার কোটি টাকার কাছাকাছি। এই খরচে আন্তর্জাতিক মানের আম্পায়ারিং নিশ্চিত করা হয় এবং আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলো এই ব্যয়কে স্বাভাবিক হিসেবে গ্রহণ করে।

বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা উদ্বেগের পেছনে প্রধানত বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশের অস্থিরতা উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও দলটি ভ্রমণ বাতিল করেছে, শারফুদ্দৌলা তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে অবদান রাখছেন।

আইসিসি কর্তৃক নির্ধারিত মানদণ্ড ও শারফুদ্দৌলার পেশাগত অবস্থান উভয়ই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ন্যায়সঙ্গত ও স্বচ্ছ আম্পায়ারিং নিশ্চিত করার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দল নিরাপত্তা বিষয়ক উদ্বেগ সমাধান হলে আবার ভ্রমণ পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করতে পারে, আর শারফুদ্দৌলা তার এলিট প্যানেল সদস্যত্ব বজায় রেখে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আম্পায়ারিং চালিয়ে যাবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments