নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ভারতকে পরাজিত করে সিরিজের স্কোর ১-১ করে তুলেছে। ২৪ জানুয়ারি রাজকোটে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ভারত ৫০ ওভারে ২৮৪ রান তৈরি করে, যার পর নিউ জিল্যান্ড ১৫ বল বাকি রেখে লক্ষ্য অতিক্রম করে জয় নিশ্চিত করে।
ভারত প্রথমে ব্যাটিংয়ে শক্তি দেখিয়ে ৫০ ওভারে ২৮৪ রান সংগ্রহ করে। টসের পর শুরুর শটগুলোতে লোকেশ রাহুল ১১২ রান অচল থেকে দলকে বড় অবদান রাখেন, আর শুবমান গিল ৫৬ রান যোগ করে স্কোরকে সমর্থন করেন। শেষ পর্যন্ত ভারত ৭ উইকেটের সঙ্গে লক্ষ্য অর্জন করে, তবে লক্ষ্যটি নিউ জিল্যান্ডের জন্য চ্যালেঞ্জের মুখে রইল।
নিউজিল্যান্ডের ওপেনাররা দ্রুতই আউট হয়ে যায়, ফলে তৃতীয় উইকেটের আগে স্কোরে বড় ফাঁক তৈরি হয়। তবে তৃতীয় উইকেটের পর উইল ইয়াং এবং ড্যারিল মিচেল একসাথে ১৬২ রান গড়ে দলকে স্থিতিশীল করে। ইয়াং ৯৮ রান করে ৮৭ রানে ফেরেন, আর মিচেল ১১২ রান করে সেঞ্চুরি অর্জন করেন, যা ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ড্যারিল মিচেলের সেঞ্চুরি নিউ জিল্যান্ডকে লক্ষ্য অতিক্রমের মূল চালিকা শক্তি হয়ে ওঠে। তিনি ১১৭ বলের মধ্যে ১১২ রান করেন, যার মধ্যে ১৩১ রানের ইনিংসের শেষ অংশে দলকে জয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ পারফরম্যান্স দেখান। মিচেল এই সিরিজে তিনটি ম্যাচে শতক করেছেন, যা তাকে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতার যোগ্য করে তুলেছে।
এই জয় নিউজিল্যান্ডের জন্য ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে আহমেদাবাদে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২৮৩ রান লক্ষ্য তাড়া করার পর, এবার তারা ২৮৪ রান লক্ষ্য চ্যালেঞ্জে সফল হয়েছে। এছাড়া, এটি ২০১৭ সালের পর ভারতের মাটিতে নিউ জিল্যান্ডের প্রথম জয়, এবং টানা আটটি ওয়ানডে হারের পর শেষমেশ অর্জিত জয়।
পরবর্তী ম্যাচটি রবিবার ইন্দোরে নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে দুই দল তৃতীয় ওয়ানডে মুখোমুখি হবে। তদুপরি, এই সিরিজের পর দুই দল পাঁচটি ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে মুখোমুখি হবে, যা উভয় দলের জন্য অতিরিক্ত সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসবে।
সারসংক্ষেপে, নিউজিল্যান্ডের চমকপ্রদ রিকভারি এবং ড্যারিল মিচেলের শীর্ষ পারফরম্যান্স ভারতকে পরাজিত করে, সিরিজকে সমতা অবস্থায় নিয়ে আসে এবং ভবিষ্যৎ টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়।



