22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিসরকার পারিবারিক, শিশু ধর্ষণ ও ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালকে বিশেষ আদালত ঘোষণা

সরকার পারিবারিক, শিশু ধর্ষণ ও ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালকে বিশেষ আদালত ঘোষণা

সরকার ১২ জানুয়ারি আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পারিবারিক আপিল আদালত, শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এবং ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালকে বিশেষ আদালত হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তিনটি প্রকারের আদালতকে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে, যা বিশেষ আদালত (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আইন, ২০০৩‑এর অধীনে করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই আদালতগুলোকে দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে জেলা জজের অধীনে বিশেষ জেলা জজ আদালত হিসেবে গণ্য করা হবে। ফলে পারিবারিক আপিল আদালত ও ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল এখন থেকে জেলা জজের সমান ক্ষমতা পাবে এবং তাদের রায়ে অতিরিক্ত আইনি ও প্রশাসনিক স্বীকৃতি থাকবে।

ফৌজদারি মামলায় একই আদালতগুলোকে দায়রা জজের অধীনে বিশেষ দায়রা জজ আদালত হিসেবে নির্ধারিত করা হয়েছে। এর ফলে শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালসহ অন্যান্য আদালত দায়রা জজের সমতুল্য ক্ষমতা পাবে, যা দ্রুত এবং বিশেষায়িত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের আওতায় সারা দেশে অবস্থিত সব পারিবারিক আপিল আদালত, সব শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এবং সব ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল অন্তর্ভুক্ত হবে। অর্থাৎ, কোনো জেলা বা শহরে এই প্রকারের আদালত থাকলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশেষ আদালতে রূপান্তরিত হবে, কোনো অতিরিক্ত অনুমোদন প্রয়োজন হবে না।

আইনি বিশ্লেষকরা জানান, বিশেষ আদালত হিসেবে স্বীকৃতি পেলে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে মামলার ব্যাকলগ কমাতে এবং বিশেষত সংবেদনশীল বিষয়ের (যেমন শিশুর যৌন নির্যাতন) দ্রুত ন্যায়বিচার প্রদান করতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে, ল্যান্ড সার্ভে সংক্রান্ত বিরোধের সমাধানেও সময়সীমা কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, কিছু আইনজীবী ও মানবাধিকার সংগঠন বিশেষ আদালতের ক্ষমতা বিস্তারের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রকাশ করেছেন। তারা জোর দিয়ে বলেছেন যে, বিশেষ আদালতকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া মানে প্রক্রিয়াগত নিরাপত্তা ও স্বতন্ত্রতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ, নতুবা ন্যায়বিচারের গুণগত মান হ্রাস পেতে পারে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করছেন, এই পদক্ষেপটি সরকারকে সামাজিক ন্যায়বিচার ও ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতি兑现 করার সুযোগ দেয়। বিশেষ করে, সরকারী পক্ষ থেকে শিশু নির্যাতন মামলায় দ্রুত রায়ের প্রত্যাশা বাড়ছে, যা নির্বাচনী সময়ে জনপ্রিয়তা বাড়াতে পারে। তবে, বিরোধী দলগুলোও এই নীতির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনী দাবি করতে পারে।

প্রজ্ঞাপনের পরবর্তী ধাপ হিসেবে সংশ্লিষ্ট আদালতগুলোকে নতুন দায়িত্বের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত সুবিধা সরবরাহ করা হবে। এছাড়া, বিচারিক কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা সরকার ইতিমধ্যে প্রস্তুত করেছে। এই সব ব্যবস্থা সম্পন্ন হলে, বিশেষ আদালতগুলো দেশের ন্যায়বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments