22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিদারুস-সালাম থানা বিএনপি আহ্বায়ক এস এ সিদ্দিক সাজুকে দল থেকে বহিষ্কার

দারুস-সালাম থানা বিএনপি আহ্বায়ক এস এ সিদ্দিক সাজুকে দল থেকে বহিষ্কার

দারুস-সালাম থানার বিএনপি আহ্বায়ক এস এ সিদ্দিক সাজুকে দলীয় নীতিমালা লঙ্ঘন ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত বুধবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে সাজুকে সকল পর্যায়ের পদ থেকে, প্রাথমিক সদস্যসহ, অপসারণ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিটি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত, যা দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গৃহীত কঠোর পদক্ষেপের সূচক। রিজভী এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার পাশাপাশি সংগঠনবিরোধী কাজের অভিযোগ তুলে সাজুকে বহিষ্কারের কারণ উল্লেখ করেছেন।

বিএনপিতে আহ্বায়কের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ; তিনি স্থানীয় স্তরে পার্টির নীতি প্রচার, সদস্য সংগ্রহ এবং নির্বাচনী কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকেন। তাই আহ্বায়কের পদ থেকে অপসারণ পার্টির কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনে এবং স্থানীয় সংগঠনের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

এস এ সিদ্দিক সাজু পূর্বে দারুস-সালাম থানার প্রধান পার্টি প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছিলেন এবং বিভিন্ন নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতেন। তার পদত্যাগের আগে তিনি প্রাথমিক সদস্যের পাশাপাশি উচ্চতর স্তরের পদেও দায়িত্ব পালন করছিলেন, যা তাকে স্থানীয় স্তরে প্রভাবশালী করে তুলেছিল।

বহিষ্কারের মাধ্যমে সাজুকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরণের পার্টি পদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে তিনি আর কোনো পার্টি কার্যক্রমে অংশগ্রহণের অনুমতি পাবেন না এবং তার নাম পার্টির রেজিস্ট্রিতে মুছে ফেলা হবে। এই পদক্ষেপটি পার্টির শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নেওয়া কঠোর ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিএনপি সাম্প্রতিক সময়ে অনুপ্রবেশমূলক আচরণ বা দলীয় নীতি লঙ্ঘনের জন্য কয়েকজন সদস্যকে বহিষ্কার করেছে। নভেম্বর ২০২৫-এ একাধিক নেতা এবং আইনজীবী ফোরাম থেকে বহিষ্কারের ঘটনা এই ধারাকে পুনরায় নিশ্চিত করে। এসব পদক্ষেপ পার্টির অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গৃহীত কড়া নীতির ধারাবাহিকতা প্রকাশ করে।

দলীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, এই ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের ক্ষেত্রে দ্রুত এবং নিরপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বহিষ্কারের মাধ্যমে পার্টি সদস্যদের মধ্যে একরূপতা বজায় রাখা এবং সংগঠনবিরোধী কাজের পুনরাবৃত্তি রোধ করা লক্ষ্য। এ ধরনের পদক্ষেপ পার্টির অভ্যন্তরে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেও নেওয়া হয়।

দারুস-সালাম থানার স্থানীয় সংগঠন এখন নতুন আহ্বায়ক নির্বাচন বা নিযুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে। পূর্বে সাজুর নেতৃত্বে গৃহীত কৌশল ও পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করে নতুন নেতা নির্বাচনের মাধ্যমে পার্টির কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হবে বলে অনুমান করা যায়।

বিএনপির সিনিয়র কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি দেখায় যে, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও এই ধরনের শৃঙ্খলা রক্ষার সিদ্ধান্তে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষর এই সিদ্ধান্তের গুরুত্ব ও আনুষ্ঠানিকতা বাড়িয়ে দেয়, যা পার্টির অভ্যন্তরে একরূপতা বজায় রাখতে সহায়ক।

ভবিষ্যতে দলীয় কাঠামো পুনর্গঠন এবং নতুন আহ্বায়ক নিয়োগের জন্য স্থানীয় স্তরে একটি বৈঠক বা সমাবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন নেতা নির্বাচনের মাধ্যমে পার্টি তার ভিত্তি শক্তিশালী করতে এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি ত্বরান্বিত করতে চায়।

বিএনপি বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নিজের অবস্থান পুনরায় সংহত করার চেষ্টা করছে। এই ধরনের শৃঙ্খলা রক্ষার পদক্ষেপগুলো পার্টির অভ্যন্তরে একতা বজায় রাখতে এবং নির্বাচনী চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ় অবস্থান নিতে সহায়তা করে। দারুস-সালাম থানার এই সিদ্ধান্ত পার্টির সামগ্রিক কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

সারসংক্ষেপে, দারুস-সালাম থানার আহ্বায়ক এস এ সিদ্দিক সাজুকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে, এবং তিনি প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পার্টি পদ থেকে অপসারিত। এই সিদ্ধান্তটি পার্টির অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গৃহীত কঠোর পদক্ষেপের অংশ এবং স্থানীয় সংগঠনের ভবিষ্যৎ গঠন ও নেতৃত্বে প্রভাব ফেলবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments