27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে ভিসা অন‑অ্যারাইভাল স্থগিত

নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে ভিসা অন‑অ্যারাইভাল স্থগিত

বাংলাদেশ সরকার ১৫ জানুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সকল দেশের ভিসা অন‑অ্যারাইভাল সেবা বন্ধ করেছে, যাতে নির্বাচনের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি রোধ করা যায়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শদাতা তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, নির্বাচনের সময় অপ্রত্যাশিত ব্যক্তিরা হঠাৎ দেশে প্রবেশ করলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে, তাই ভিসা অন‑অ্যারাইভাল স্থগিত করা হয়েছে। তিনি যোগ করেন, “আমরা ভিসা বন্ধ করছি না, তবে নিয়মিত ভিসা দিয়ে আসা উচিত, অন‑অ্যারাইভাল নয়।”

এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বিদেশি প্রবেশের প্রক্রিয়া সহজতর করার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষণ শক্তিশালী করার নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। নির্দেশিকায় সকল ধরণের ভিসা, বিশেষত অন‑অ্যারাইভাল ভিসা, প্রযোজ্য বিদ্যমান নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দলিল যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বয় বাড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। এভাবে নির্বাচনের সময় বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত সতর্কতা গ্রহণ করা হবে।

মিয়ানমার রাখাইন সংঘাতের ফলে বর্ডার এলাকায় উত্তেজনা বাড়ার পর, তৌহিদ হোসেন মিয়ানমার দূতাবাসকে ডাকার মাধ্যমে টেকনাফে ঘটিত গুলিবিদ্ধ শিশুর ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মিয়ানমার সরকার বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে আইনগত সত্তা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না, ফলে বাংলাদেশ তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে না, এ কথাও তৌহিদ হোসেন উল্লেখ করেছেন। তিনি সমস্যাটি দীর্ঘদিনের এবং শীঘ্রই সমাধান হবে না বলে মন্তব্য করেছেন।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার খবরেও তৌহিদ হোসেন মন্তব্য করেন, দেশের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এই ধরনের সহযোগিতা কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত না করে সমতা বজায় রাখার লক্ষ্যে করা হচ্ছে।

এদিকে, ভিসা নীতি পরিবর্তনের ফলে পর্যটক ও ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীকে পূর্বে পরিকল্পনা করে নিয়মিত ভিসা আবেদন করতে হবে, অন‑অ্যারাইভাল সুবিধা ব্যবহার করা যাবে না। সরকার এই সময়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু করবে।

নির্বাচন সংক্রান্ত নিরাপত্তা উদ্বেগের পাশাপাশি, সীমান্তে চলমান মিয়ানমার সংঘাতের প্রভাব কমাতে দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালু রয়েছে। তৌহিদ হোসেনের মতে, উভয় দেশের মধ্যে সংলাপ ও সমন্বয় বজায় রেখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দেওয়া হবে।

সামরিক ড্রোন প্রকল্পের ক্ষেত্রে, বাংলাদেশ সরকার দেশের রক্ষা ক্ষমতা উন্নত করার জন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের দরজা খুলে দিয়েছে, তবে তা কোনো দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ভারসাম্য নষ্ট না করে করা হবে।

সারসংক্ষেপে, নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভিসা অন‑অ্যারাইভাল স্থগিত, বিদেশি প্রবেশের কঠোর নিয়ন্ত্রণ, মিয়ানমার বর্ডার সংক্রান্ত কূটনৈতিক পদক্ষেপ এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা একসাথে চালু হয়েছে। এই নীতিগুলি নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও দেশের নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments